ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
বিগত ১৭ বছরে যা হয়েছে আগামী দিনে তা হবে না, সরকারী কাজে কোনো চুরি হবে না-বরকত উল্লাহ বুলু শত্রুতার জেরে ধ্বংস করা হয়েছে ২৪ একর জমির তরমুজ মাদরাসা থেকে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষার্থীকে বলৎকারের চেষ্টা, অভিযুক্ত শিক্ষক কারাগারে বসতঘরের পানির ট্যাংকে ডিজেল, অভিযানে জব্দ ৭৫০ লিটার মোটরসাইকেলের তেল আনতে গিয়ে বাড়ি ফেরা হলোনা তরুণের মা-বোনের সমভ্রমহানির সাথে যারা বেঈমানী করেন, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: বরকত উল্লাহ বুলু নোয়াখালীতে ডিএনসির অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেফতার-৫ হাতিয়ায় ১৩৩০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ গ্রেফতার-২ সুগন্ধা পরিবহনের চলন্ত বাস থেকে পড়ে হেলপারের মৃত্যু

শত্রুতার জেরে ধ্বংস করা হয়েছে ২৪ একর জমির তরমুজ

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:১১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী সদর উপজেলায় শত্রুতার জেরে দুই কৃষকের ২৪ একর জমির তরমুজ কুপিয়ে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। মহিষ দিয়ে তরমুজ বিনষ্টের ঘটনায় সালিশ বৈঠকে জরিমানার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চর দরবেশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের মাহবুল হকের ছেলে মো. ইব্রাহিম খলিল এবং ছেরাজুল হকের ছেলে নুরুল হক।

ভুক্তভোগী কৃষক ইব্রাহিম খলিল ও নুরুল হক জানান, তারা চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে দাদনসহ স্থানীয়ভাবে ঋণ নিয়ে প্রতিজন ১২ একর করে মোট ২৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেন। এতে তাদের প্রায় ২২ লাখ টাকা বিনিয়োগ হয়। ভালো ফলনের আশায় তারা স্বপ্ন দেখছিলেন এবং ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রিও করেছিলেন।

তাদের অভিযোগ, সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বর ইউনিয়নের কলারহাট এলাকার ইতালী খলিল তার শতাধিক মহিষ তাদের ক্ষেতের পাশে পালন করছিলেন। গত ৩১ মার্চ রাতে মহিষের রাখাল মো. ফারুক মহিষগুলো ছেড়ে দিলে সেগুলো তরমুজ ক্ষেতে ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি করে। এ ঘটনায় পরদিন স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে কৃষক ইব্রাহিম খলিলের ক্ষতির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং নুরুল হকের ক্ষতির জন্য ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আপস-মীমাংসা করা হয়।

ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, জরিমানার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বুধবার রাতে রাখাল ফারুক ও তার সহযোগী আবদুর রহিম তাদের গালমন্দ করেন এবং হুমকি দেন। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ১০-১২ জনের একটি সন্ত্রাসী দল এনে তাদের ২৪ একর জমির তরমুজ কুপিয়ে নষ্ট করা হয়। এতে তাদের প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। একই সঙ্গে ক্ষতির কারণে তারা ঋণ পরিশোধে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

শত্রুতার জেরে ধ্বংস করা হয়েছে ২৪ একর জমির তরমুজ

আপডেট সময় : ০৭:১১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালী সদর উপজেলায় শত্রুতার জেরে দুই কৃষকের ২৪ একর জমির তরমুজ কুপিয়ে ধ্বংস করার অভিযোগ উঠেছে। মহিষ দিয়ে তরমুজ বিনষ্টের ঘটনায় সালিশ বৈঠকে জরিমানার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চর দরবেশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা হলেন- চর দরবেশ গ্রামের মাহবুল হকের ছেলে মো. ইব্রাহিম খলিল এবং ছেরাজুল হকের ছেলে নুরুল হক।

ভুক্তভোগী কৃষক ইব্রাহিম খলিল ও নুরুল হক জানান, তারা চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে দাদনসহ স্থানীয়ভাবে ঋণ নিয়ে প্রতিজন ১২ একর করে মোট ২৪ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেন। এতে তাদের প্রায় ২২ লাখ টাকা বিনিয়োগ হয়। ভালো ফলনের আশায় তারা স্বপ্ন দেখছিলেন এবং ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রিও করেছিলেন।

তাদের অভিযোগ, সুবর্ণচর উপজেলার চর জব্বর ইউনিয়নের কলারহাট এলাকার ইতালী খলিল তার শতাধিক মহিষ তাদের ক্ষেতের পাশে পালন করছিলেন। গত ৩১ মার্চ রাতে মহিষের রাখাল মো. ফারুক মহিষগুলো ছেড়ে দিলে সেগুলো তরমুজ ক্ষেতে ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি করে। এ ঘটনায় পরদিন স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে কৃষক ইব্রাহিম খলিলের ক্ষতির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং নুরুল হকের ক্ষতির জন্য ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে আপস-মীমাংসা করা হয়।

ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, জরিমানার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বুধবার রাতে রাখাল ফারুক ও তার সহযোগী আবদুর রহিম তাদের গালমন্দ করেন এবং হুমকি দেন। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ১০-১২ জনের একটি সন্ত্রাসী দল এনে তাদের ২৪ একর জমির তরমুজ কুপিয়ে নষ্ট করা হয়। এতে তাদের প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। একই সঙ্গে ক্ষতির কারণে তারা ঋণ পরিশোধে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।