ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
সুবর্ণচরে জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার ৯৯ বস্তা সরকারি চাল চুরির মামলায় কারাগারে, বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতায় আসামির মৃত্যু ফেনীতে হেযবুত তওহীদের ঈদ পুনর্মিলনী ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত মাদক কারবারি যে কেউ হোক তাকে ছাড় দেওয়া হবেনা, যদি সে এমপি পুত্রও হয়- ওসি নিজাম গ্যারেজে চলছিল চোরাই অটোরিকশা বেচাকেনা, পৃথক অভিযানে গ্রেফতার – ৫ ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হাতিয়ার জেলেদের মানবেতর জীবন মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু হাতিয়ায় কোস্ট গার্ডের অভিযান, শুল্ক-কর ফাঁকি দেওয়া ১১শ লিটার ডিজেল উদ্ধার ৫৪ বছর পর ফিরলেন সাগরে হারিয়ে যাওয়া জেলে ৮৩ বছরের বৃদ্ধা নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

চুরির মামলায় কারাগারে, বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতায় আসামির মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর জেলা কারাগারে থাকা এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুললেও কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, অসুস্থ হওয়ার পরপরই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।

মৃত হাজতির নাম মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাঈনউদ্দিন (৩৫)। তিনি জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বগাদিয়া গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে। চুরির একটি মামলায় তিনি নোয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে আটক ছিলেন।

জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল একটি চুরির মামলায় চাটখিল থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তার শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা।

কারাগার সূত্র জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে হুমায়ুন কবির হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। পরে কারা মেডিক্যালে তার প্রাথমিক পরীক্ষা ও ইসিজি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

মৃতের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। চিকিৎসায় অবহেলার কারণেই তার ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার আবদুল বারেক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই হাজতি বাহিরে পাবলিক এসল্টের শিকার হন। কারাগারে অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারা মেডিকেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইসিজি রিপোর্টে শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখা দিলে দ্রুত তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ সন্ধ্যা ৭টার দিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

চুরির মামলায় কারাগারে, বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতায় আসামির মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:০৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

নোয়াখালীর জেলা কারাগারে থাকা এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুললেও কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, অসুস্থ হওয়ার পরপরই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।

মৃত হাজতির নাম মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাঈনউদ্দিন (৩৫)। তিনি জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বগাদিয়া গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে। চুরির একটি মামলায় তিনি নোয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে আটক ছিলেন।

জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল একটি চুরির মামলায় চাটখিল থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তার শরীরে কিছু আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা।

কারাগার সূত্র জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে হুমায়ুন কবির হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। পরে কারা মেডিক্যালে তার প্রাথমিক পরীক্ষা ও ইসিজি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

মৃতের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। চিকিৎসায় অবহেলার কারণেই তার ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার আবদুল বারেক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই হাজতি বাহিরে পাবলিক এসল্টের শিকার হন। কারাগারে অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারা মেডিকেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইসিজি রিপোর্টে শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখা দিলে দ্রুত তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ সন্ধ্যা ৭টার দিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।