ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
সাতক্ষীরার শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনী গ্রেফতার জয়পুরহাটে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসআরবি-৫ অধিনায়ক, নিরাপত্তায় বিশেষ নজর নোয়াখালীতে যৌথ অভিযানে ৪ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার পানিতে ডুবে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন জয়পুরহাটে মোটরসাইকেল-অটোরিকশার সংঘর্ষে যুবক নিহত জয়পুরহাটে কিডনি বিক্রি করেও বদলেনি ভাগ্য! ট্রান্সফরমার চুরি মামলায় গ্রেপ্তার শামছুল ইসলাম নোয়াখালীতে চো’র আখ্যা দিয়ে প্র/তিব/ন্ধী যুব’ককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা, আটক-৪ কিশোরগ্যাং বিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে আরো ১৪৫ আটক ঘুমন্ত সাবেক স্বামীকে ছু/রিকা-ঘাতে হ-ত্যা, স্ত্রী-শাশুড়ি আটক

সাতক্ষীরার শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনী গ্রেফতার

হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা:
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার উস্কানি তুলে গণপিটুনি দিয়ে মাওলানা ওয়াহেদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে হত্যা ঘটনার পলাতক প্রধান আসামি উস্কানি ঘটনার মূল হোতা ফজলুল হক আমিনীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত পৌনে ১১ টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে তার এক আত্মীয়র বাড়িতে পুলিশ ও এসআরবি,র সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক ফজলুল হক আমিনী (৪৫) দেবহাটা থানার দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। তিনি পেশায় ভাড়া মোটরসাইকেল চালাতো। গণপিটুনিতে নিহত ওয়াহিদুজ্জামান শামীম ৪২ দেবহাটা থানার বড় শান্তা গ্রামের মৃত শামসুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম ও কোরআন অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়েছিল।

দেবহাটা থানার অফিসার্স ইনচার্জ এইচ এম শাহীন এ প্রতিবেদককে জানান পারিবারিক কথাপোকতনের ঘটনার রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে হত্যার ঘটনার পর ফেসবুকে সরব থেকে আত্মগোপনে ছিল। ফেসবুকে উস্কানি মূলক লাইভ করে তৌহিদি জনতা জড়ো করে ফজলুল হক আমিনী এ হত্যাকান্ড ঘটায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পার্শ্ববর্তী কালিগঞ্জ থানার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে এস আর বি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর রাতে কুলিয়া এলাকায় গ্রাম্য ডাক্তার সবুরের চেম্বারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৌহিদী উত্তেজিত জনতা ওয়াহিদুজ্জামান শামীমের উপর হামলা চালানো হয়। ঐ সময় প্রথমে বাড়িতে হামলা চালানোর ঘটনায় ভয় আতঙ্কে বিষ পান করে অসুস্থ হয়ে শামীম সেখানে চিকিৎসা নিতে যান। গণপিটুনির খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পুলিশ। খবর পেয়ে ফজলুল হক আমিনী তৌহিদী জনতা কে উত্তেজিত করে তার নেতৃত্বে রাত ৯ টার দিকে হাসপাতাল থেকে টেনে হিঁচড়ে রাস্তায় ফেলে সেখানে তার ওপর তৃতীয় দফায় পিটুনি দেওয়া হয়। সেখান থেকে মৃত প্রায় অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আগেই গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

সাতক্ষীরার শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৬:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার উস্কানি তুলে গণপিটুনি দিয়ে মাওলানা ওয়াহেদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে হত্যা ঘটনার পলাতক প্রধান আসামি উস্কানি ঘটনার মূল হোতা ফজলুল হক আমিনীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত পৌনে ১১ টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে তার এক আত্মীয়র বাড়িতে পুলিশ ও এসআরবি,র সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক ফজলুল হক আমিনী (৪৫) দেবহাটা থানার দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। তিনি পেশায় ভাড়া মোটরসাইকেল চালাতো। গণপিটুনিতে নিহত ওয়াহিদুজ্জামান শামীম ৪২ দেবহাটা থানার বড় শান্তা গ্রামের মৃত শামসুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম ও কোরআন অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়েছিল।

দেবহাটা থানার অফিসার্স ইনচার্জ এইচ এম শাহীন এ প্রতিবেদককে জানান পারিবারিক কথাপোকতনের ঘটনার রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে হত্যার ঘটনার পর ফেসবুকে সরব থেকে আত্মগোপনে ছিল। ফেসবুকে উস্কানি মূলক লাইভ করে তৌহিদি জনতা জড়ো করে ফজলুল হক আমিনী এ হত্যাকান্ড ঘটায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পার্শ্ববর্তী কালিগঞ্জ থানার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে এস আর বি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর রাতে কুলিয়া এলাকায় গ্রাম্য ডাক্তার সবুরের চেম্বারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৌহিদী উত্তেজিত জনতা ওয়াহিদুজ্জামান শামীমের উপর হামলা চালানো হয়। ঐ সময় প্রথমে বাড়িতে হামলা চালানোর ঘটনায় ভয় আতঙ্কে বিষ পান করে অসুস্থ হয়ে শামীম সেখানে চিকিৎসা নিতে যান। গণপিটুনির খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পুলিশ। খবর পেয়ে ফজলুল হক আমিনী তৌহিদী জনতা কে উত্তেজিত করে তার নেতৃত্বে রাত ৯ টার দিকে হাসপাতাল থেকে টেনে হিঁচড়ে রাস্তায় ফেলে সেখানে তার ওপর তৃতীয় দফায় পিটুনি দেওয়া হয়। সেখান থেকে মৃত প্রায় অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আগেই গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে বলে জানান।