ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে যৌথ অভিযানে ৪ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার পানিতে ডুবে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন জয়পুরহাটে মোটরসাইকেল-অটোরিকশার সংঘর্ষে যুবক নিহত জয়পুরহাটে কিডনি বিক্রি করেও বদলেনি ভাগ্য! ট্রান্সফরমার চুরি মামলায় গ্রেপ্তার শামছুল ইসলাম নোয়াখালীতে চো’র আখ্যা দিয়ে প্র/তিব/ন্ধী যুব’ককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা, আটক-৪ কিশোরগ্যাং বিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে আরো ১৪৫ আটক ঘুমন্ত সাবেক স্বামীকে ছু/রিকা-ঘাতে হ-ত্যা, স্ত্রী-শাশুড়ি আটক প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কি/শো/রী/কে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১০৪

নোয়াখালীতে যৌথ অভিযানে ৪ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলম (৩৫) নামের এক রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১১-এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-৩ (এসআরবি-১১, সিপিসি-৩)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি জানিয়েছেন, কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা নিয়ে তিনি নোয়াখালীর হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা জামে মসজিদের পূর্ব পাশে শফিউল্লাহর চা-পান-সিগারেটের দোকানের সামনের সড়কে এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলম কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের মো. আলী হোসেনের ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসি ও এসআরবি-১১, সিপিসি-৩-এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সন্দেহভাজন মোহাম্মদ আলমকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছ থেকে চার হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তার কাছ থেকে একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। আসামির ভাষ্য অনুযায়ী, শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে হাতিয়ায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি রওনা হয়েছিলেন। তবে ইয়াবাগুলো কার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং হাতিয়ায় কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সংশ্লিষ্ট সারণির ১০(খ) ও ২৬ (১) ধারায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

নোয়াখালীতে যৌথ অভিযানে ৪ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৮:২৭:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলম (৩৫) নামের এক রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১১-এর ক্রাইম প্রিভেনশন কোম্পানি-৩ (এসআরবি-১১, সিপিসি-৩)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তি জানিয়েছেন, কক্সবাজারের টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা নিয়ে তিনি নোয়াখালীর হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা জামে মসজিদের পূর্ব পাশে শফিউল্লাহর চা-পান-সিগারেটের দোকানের সামনের সড়কে এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলম কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লেদা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের মো. আলী হোসেনের ছেলে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডিএনসি ও এসআরবি-১১, সিপিসি-৩-এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সন্দেহভাজন মোহাম্মদ আলমকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছ থেকে চার হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তার কাছ থেকে একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। আসামির ভাষ্য অনুযায়ী, শরণার্থী শিবির থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে হাতিয়ায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি রওনা হয়েছিলেন। তবে ইয়াবাগুলো কার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং হাতিয়ায় কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাদকের উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সংশ্লিষ্ট সারণির ১০(খ) ও ২৬ (১) ধারায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।