ঢাকা ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের চেকেপোস্টে তিনটি বিদেশী পিস্তল-গুলিসহ কিশোর আটক চিরকুটে যুবকের নাম লিখে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা নোয়াখালীতে ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ-প্রতিবাদ আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আরও ১৮ নেতাকর্মী গ্রেফতার আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ: গ্রেফতার ২৫, সুধারাম থানার ওসি ক্লোজড জেলি মিশ্রিত ১৪২ কেজি চিংড়ি জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নোয়াখালীতে ১১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ৪৭ নোয়াখালীতে কাফনের কাপড় পড়ে ছাত্রলীগের বিক্ষোভের ভিডিও ভাইরাল নানার বাড়ি থেকে ফেরার পর নিখোঁজ, ১৪ ঘন্টা পর খালে মিলল যুবকের মরদেহ ফেনীতে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ‘মব’ সৃষ্টির আশঙ্কা, জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি

সমতা-ন্যায়বিচারের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব: পুতুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১ ২৫৫৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার যে তৃণমূল থেকে শুরু করা, সেটা অনেকে ভুলে যান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।

প্রধানমন্ত্রীকন্যা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধু কতো তৃণমূল থেকে তার সংগ্রাম শুরু করেছিলেন আজ অনেকই তা ভুলে যান। তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার যে তৃণমূল থেকে শুরু করা সেটাও অনেকে ভুলে যান।
রোববার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে নিয়ে ‘পিস থ্রো ইন্ট্রা-ফেইথ ডায়লগ: কালচার অ্যান্ড হেরিটেইজ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধুর নাতনি সায়মা ওয়াজেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু সংলাপে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি সাধারণ মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তিনি সবসময় শান্তি চাইতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন শান্তি অর্জন হলে সমাজে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে।

সমতা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকন্যা বলেন, সমতা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবার অবদান রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার ঢাকায় শুরু হয় দুই দিনব্যাপী বিশ্ব শান্তি সম্মেলন। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত সম্মেলনে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ৫৯ জন প্রতিনিধি সশরীরে যোগ দিয়েছেন। আর ৪০ জন প্রতিনিধি ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছেন। আজ (রোববার) ছিল সম্মেলনের সমাপনী দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সমতা-ন্যায়বিচারের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব: পুতুল

আপডেট সময় : ১১:১৭:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার যে তৃণমূল থেকে শুরু করা, সেটা অনেকে ভুলে যান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।

প্রধানমন্ত্রীকন্যা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন। বঙ্গবন্ধু কতো তৃণমূল থেকে তার সংগ্রাম শুরু করেছিলেন আজ অনেকই তা ভুলে যান। তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার যে তৃণমূল থেকে শুরু করা সেটাও অনেকে ভুলে যান।
রোববার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে নিয়ে ‘পিস থ্রো ইন্ট্রা-ফেইথ ডায়লগ: কালচার অ্যান্ড হেরিটেইজ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধুর নাতনি সায়মা ওয়াজেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু সংলাপে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি সাধারণ মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। তিনি সবসময় শান্তি চাইতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন শান্তি অর্জন হলে সমাজে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে।

সমতা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকন্যা বলেন, সমতা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবার অবদান রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার ঢাকায় শুরু হয় দুই দিনব্যাপী বিশ্ব শান্তি সম্মেলন। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত সম্মেলনে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে ৫৯ জন প্রতিনিধি সশরীরে যোগ দিয়েছেন। আর ৪০ জন প্রতিনিধি ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছেন। আজ (রোববার) ছিল সম্মেলনের সমাপনী দিন।