ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
পুলিশের চেকেপোস্টে তিনটি বিদেশী পিস্তল-গুলিসহ কিশোর আটক চিরকুটে যুবকের নাম লিখে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা নোয়াখালীতে ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ-প্রতিবাদ আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আরও ১৮ নেতাকর্মী গ্রেফতার আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ: গ্রেফতার ২৫, সুধারাম থানার ওসি ক্লোজড জেলি মিশ্রিত ১৪২ কেজি চিংড়ি জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নোয়াখালীতে ১১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ৪৭ নোয়াখালীতে কাফনের কাপড় পড়ে ছাত্রলীগের বিক্ষোভের ভিডিও ভাইরাল নানার বাড়ি থেকে ফেরার পর নিখোঁজ, ১৪ ঘন্টা পর খালে মিলল যুবকের মরদেহ ফেনীতে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ‘মব’ সৃষ্টির আশঙ্কা, জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি

যে কারণে পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে রেখেছেন সাকিব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১ ২৫৪১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: ইন্টারনেট

সাকিব আল হাসানের ৩ সন্তানসহ স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির বেশ কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে থাকছেন। এদিকে খেলার ফাঁকে বা ছুটি নিয়ে সাকিব চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। স্ত্রী-সন্তানদের সময় দেন। নিজের পরিবারকে বাংলাদেশে না রেখে যুক্তরাষ্ট্রে কেন রাখছেন সে বিষয়ে বিশ্বসেরা অন্যতম অলরাউন্ডার জানিয়েছে, মূলত বড় মেয়ে আলাইনার জন্যই যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নিয়েছেন। বাংলাদেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে আলাইনা স্বছন্দবোধ করে বলে মনে হয় তার কাছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উওরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। আমি স্কুলের উদাহরণটা বারবার দিচ্ছি। কারণ আমি তো দেখেছি এখানে (বাংলাদেশ) স্কুলে যাওয়ার আগে ও (বড় মেয়ে অ্যালাইনা) ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন কাঁদত। ওখানে (যুক্তরাষ্ট্র) এক ডাক দেওয়ার আগেই নিজে উঠে চোখ বন্ধ করে নিজে ব্রাশ করে স্কুলের জন্য রেডি হয়ে যায়।

এর থেকে ভালো কিছু আমার জন্য আর কী আছে? আর প্রতিদিন স্কুল থেকে আসার সময় যে খুশিমনে আসে, এগুলো তো আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া। এটা আমি নষ্ট করতে চাই না। তাছাড়া ওর নিজেরও এখন বোঝার বয়স হয়েছে ও কী চায়, না চায়! এখন এখানে (বাংলাদেশ) আসলেও ওর ভালো লাগতে পারে। ও তো এখন একটা বয়স থেকে আরেকটা বয়সে যাচ্ছে। এই সময় বাচ্চাদের অনেক কিছু চেঞ্জ হয়। বাংলাদেশে এলে ও এখানে পছন্দও করতে পারে। কিন্তু আমি তো নিশ্চিত নই। সাকিব আরো বলেন, ‘আমার কাছে ফ্যামিলি সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ। তার পরে বাকি সবকিছু। একটা সময় তো ওরা ঢাকাতেই ছিল। কিন্তু এখন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর যখন আমি দেখি, আমার মেয়ে স্কুলে হাসিমুখে যাচ্ছে-আসছে, কত এনজয় করছে। এটা তো আমি আমার জন্য পরিবর্তন করতে পারি না। আমি নিজে ভালো থাকার জন্য স্বার্থপরের মতো ওর লাইফটা তো খারাপ করতে পারব না। আমার কষ্ট হচ্ছে, সেটার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে আমার নিজের জন্য ওর লাইফটা চেঞ্জ করার অধিকার তো আমার নাই।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যে কারণে পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে রেখেছেন সাকিব

আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

ছবি: ইন্টারনেট

সাকিব আল হাসানের ৩ সন্তানসহ স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির বেশ কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে থাকছেন। এদিকে খেলার ফাঁকে বা ছুটি নিয়ে সাকিব চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। স্ত্রী-সন্তানদের সময় দেন। নিজের পরিবারকে বাংলাদেশে না রেখে যুক্তরাষ্ট্রে কেন রাখছেন সে বিষয়ে বিশ্বসেরা অন্যতম অলরাউন্ডার জানিয়েছে, মূলত বড় মেয়ে আলাইনার জন্যই যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নিয়েছেন। বাংলাদেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে আলাইনা স্বছন্দবোধ করে বলে মনে হয় তার কাছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উওরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। আমি স্কুলের উদাহরণটা বারবার দিচ্ছি। কারণ আমি তো দেখেছি এখানে (বাংলাদেশ) স্কুলে যাওয়ার আগে ও (বড় মেয়ে অ্যালাইনা) ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন কাঁদত। ওখানে (যুক্তরাষ্ট্র) এক ডাক দেওয়ার আগেই নিজে উঠে চোখ বন্ধ করে নিজে ব্রাশ করে স্কুলের জন্য রেডি হয়ে যায়।

এর থেকে ভালো কিছু আমার জন্য আর কী আছে? আর প্রতিদিন স্কুল থেকে আসার সময় যে খুশিমনে আসে, এগুলো তো আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া। এটা আমি নষ্ট করতে চাই না। তাছাড়া ওর নিজেরও এখন বোঝার বয়স হয়েছে ও কী চায়, না চায়! এখন এখানে (বাংলাদেশ) আসলেও ওর ভালো লাগতে পারে। ও তো এখন একটা বয়স থেকে আরেকটা বয়সে যাচ্ছে। এই সময় বাচ্চাদের অনেক কিছু চেঞ্জ হয়। বাংলাদেশে এলে ও এখানে পছন্দও করতে পারে। কিন্তু আমি তো নিশ্চিত নই। সাকিব আরো বলেন, ‘আমার কাছে ফ্যামিলি সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ। তার পরে বাকি সবকিছু। একটা সময় তো ওরা ঢাকাতেই ছিল। কিন্তু এখন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর যখন আমি দেখি, আমার মেয়ে স্কুলে হাসিমুখে যাচ্ছে-আসছে, কত এনজয় করছে। এটা তো আমি আমার জন্য পরিবর্তন করতে পারি না। আমি নিজে ভালো থাকার জন্য স্বার্থপরের মতো ওর লাইফটা তো খারাপ করতে পারব না। আমার কষ্ট হচ্ছে, সেটার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে আমার নিজের জন্য ওর লাইফটা চেঞ্জ করার অধিকার তো আমার নাই।’