সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, ৬টি আসনে ৪৭ প্রার্থী বৈধ বাস চালানোর আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা, অভিযানে গ্রেফতার চালক স্যোসাল মিডিয়ায় মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন নোয়াখালীতে ২৫শ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল-পিকআপ সংঘর্ষে ২ তরুণের মৃত্যু নোয়াখালীর শ্রেষ্ঠ কলেজ প্রধান প্রফেসর মাহবুবুর রহমান ওসমানী নোয়াখালী-ঢাকা রুটে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় যাত্রা শুরু করলো ‘সারা এক্সপ্রেস’ নোয়াখালীতে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ জমির বিরোধে বড় ভাইকে হত্যা, গ্রেফতার ছোট ভাই নোয়াখালীতে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় নারী’সহ আটক-৩

বন্যপ্রাণী নিধন হলে আরও প্রাদুর্ভাব আসবে: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০ ৮৬৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক :

প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বাড়ছে। তাই বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষিত রাখার পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তা চলতে থাকবে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। কভিড-১৯-এর মতো রোগের উদ্ভবের জন্য তারা প্রাণিজ প্রোটিনের উচ্চ চাহিদা, কৃষির অপরিবর্তনীয় ধরন ও জলবায়ুর পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন। খবর: বিবিসি।

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবহেলিত জুনোটিক রোগে এক বছরে ২০ লাখ মারা যায়। ইবোলা, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ও সার্স জুনোটিক রোগ। এ রোগগুলো প্রাণীর মধ্যে শুরু হয়ে পরে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু মানুষের মাঝে এসব সংক্রমণ প্রাকৃতিকভাবে ছড়ায়নি, এগুলোকে ডেকে নিয়ে আসা হয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করার মাধ্যমে এটি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

বন্যপ্রাণী নিধন হলে আরও প্রাদুর্ভাব আসবে: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

আপডেট সময় : ০৯:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০

ডেস্ক :

প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বাড়ছে। তাই বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষিত রাখার পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তা চলতে থাকবে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। কভিড-১৯-এর মতো রোগের উদ্ভবের জন্য তারা প্রাণিজ প্রোটিনের উচ্চ চাহিদা, কৃষির অপরিবর্তনীয় ধরন ও জলবায়ুর পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন। খবর: বিবিসি।

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবহেলিত জুনোটিক রোগে এক বছরে ২০ লাখ মারা যায়। ইবোলা, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ও সার্স জুনোটিক রোগ। এ রোগগুলো প্রাণীর মধ্যে শুরু হয়ে পরে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু মানুষের মাঝে এসব সংক্রমণ প্রাকৃতিকভাবে ছড়ায়নি, এগুলোকে ডেকে নিয়ে আসা হয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করার মাধ্যমে এটি করা হয়েছে।