“মেম্বার চেয়ারম্যান থেকে মানুষ উপকার পায়না” এমপি একরাম

Sharing is caring!

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

 

“শেকড়ের টানে, স্মৃতির সন্ধানে” এ শ্লোগানে নোয়াখালী সুবর্ণচরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ চরক্লার্ক উচ্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন উৎসাহ উদ্দীপনা ও নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে ৫০ বছর পূর্তিতে ‘সুবর্ণ জয়ন্তী’ পালিত হয়েছে।

 

‘সুবর্ণ জয়ন্তী’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একরামুল করিম চৌধুরী এমপি একরাম বলেন, এক সময় সুবর্ণচরের মানুষ বাহীনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলো, বাহিনীর ভয়ে বিকেল ৪ টার পর বোনদের লুকিয়ে লাখতে হতো, এখন সুবর্ণচরের মানুষ দরজা খুলে ঘুমাতে পারে, এসময় তিনি আরো বলেন, এখন এমন অবস্থা হইছে একটা মুরগী চুরি হলেও আমাকে ফোন করে, মেম্বার চেয়ারম্যান খবরও লয়না, কারন চেয়ারম্যান-মেম্বার থেকে তারা মনে হয় উপকার ও পায়না । পরে তিনি স্কুলের ওয়াল এবং গেট তৈরী করার জন্য নিজের তহবিল থেকে ১২ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ ঘোষনা করেন।

 

শনিবার (২১ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরক্লার্ক উচ্চ বিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে স্কুল মাঠে এ উৎযাপন অনুষ্ঠিত হয়।

 

এর আগে সকালে স্কুল মাঠ থেকে স্কুলের সকল ব্যাচ একসাথে মিলিত হয়ে একটি আনন্দ র‌্যালি বাহির করেন। র‌্যালিটি বাজারের প্রদান প্রদান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় সকলে এ উৎযাপনে মিলিত হয়।

 

এ সময় সুবর্ণ জয়ন্তী উৎযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিক উল্যাহ ও সহ অর্থ-সম্পাদক মোহাম্মদ আলী রিপনের সঞ্চালনায় উৎযাপন পরিষদের সভাপতি নুরুল আনোয়ার বকুল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একরামুল করিম চৌধুরী (এম.পি)।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এএইচএম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম। এবং অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উৎযাপন পরিষদের সদস্য সচিব ও চরক্লার্ক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ছানা উল্যাহ (বি.কম)

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চট্রগ্রাম মেট্রো পিআইবি’র পুলিশ পরিদর্শক ও উৎযাপন পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা আবু জাফর মো. ওমর ফারুক, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. কামাল উদ্দিন, ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের সহকারী অধ্যাপক মিজান বিন মজিদ, সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম (সুমন), মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন চৌধুরী, চরক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল বাসার, বিশিষ্ট কলামিষ্ট ঢাকা বিজনেস এর বার্তা সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল হক, বিদ্যালয়ের প্রক্তন ছাত্র বিশিষ্ট শিল্পপতি মোঃ কেফায়েত উল্যাহ জাবেদ, লেখক ও সাংবাদিক শাখাওয়াত উল্যাহ, শ্রমিক নেতা অলি উদ্দিন হাওলাদার, স্থানীয় ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান মো. আজাদ, বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী নুরুল ইসলাম আজাদ প্রমুখ।

 

এছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিবৃন্দ, ১৯৭০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও উপজেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিড়িয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, সামাজিক, রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!