Sharing is caring!

দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খানের ভক্ত শিশুশিল্পী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তার ইচ্ছা ছিল কখনো সামনাসামনি তাহসানকে মন ভরে দেখবেন, উচ্ছ্বাস নিয়ে উপভোগ করবেন তার গান। এবারই প্রথম সরাসরি তাহসানকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছেন দীঘি। ২১ নভেম্বর (বোরবার) রাতে দীঘির সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। এদিন রাতে রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক ফ্যাশন শোতে তাহসানের পারফরমেন্স উপভোগ করেছেন দীঘি। বাঁধভাঙা উল্লাসে মিশে গেছেন তার শোতে।

গণমাধ্যম কর্মীদের দীঘি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি তাহসান ভাইয়ার অন্ধ ভক্ত। আমাকে যদি বাংলাদেশের প্রিয় গায়কের ক্ষেত্রে পাঁচটা অপশনও দেওয়া হয় আমি প্রতিবারই তাহসান ভাইয়ার নাম বলব। তার গান, পার্সোনালিটি, পারফরমেন্স সব মিলিয়ে অসাধারণ! আজ তাকে দেখে, তার গান শুনে আমি যে আনন্দ পেয়েছি তা মুখে বলে বোঝাতে পারব না। এই আনন্দের রেশ অনেক দিন আমার মধ্যে থেকে যাবে। আমি সত্যি আজ মহাখুশি।’

দীঘি আরও করেন, ‘আগামী ২ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে আমার এইচএসসি পরীক্ষা। ফলে আজ এখানে আসার কথা ছিল না। কিন্তু তাহসান ভাইকে দেখতে পারব, তার গান শুনতে পারব ভেবেই এখানে এসেছি। এখানে আমি র‌্যাম্পে হেঁটেছি সেটা ছিল একটা উসিলা মাত্র। কারণ শো দেখতে বাইরে যাবো বললে বাসা থেকে অনুমতি পেতাম না। তাই বন্ধুদের আয়োজন এবং র‌্যাম্পের কথা বলে ঘর থেকে বের হয়ে এসেছি।’অনুষ্ঠানে তাসহান মঞ্চে উঠতেই নিজের আসন ছেড়ে সামনে চলে আসেন দীঘি। তাহসানের গাওয়া চারটি গান-‘দূরে তুমি দাঁড়িয়ে’, ‘বিন্দু আমি’, ‘তুমি ছুঁয়ে দিলে মন’, ‘আলো’র সবগুলোই দীঘি উপভোগ করেছেন তাহসানের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে। এ সময় একাধিকবার মঞ্চে থাকা প্রিয় গায়ক তাহসানের হাত ছুঁয়ে দেন দীঘি। মোবাইলেও মুহূর্তূটি ধারণ করেন। পরে ব্যাক স্টেজে গিয়ে তার সঙ্গে ছবি তুলেও দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখেন।

Sharing is caring!