ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রশাসনের শর্ত লঙ্ঘন করে উস্কানি ও মিথ্যাচার করেছে হেফাজত ও কওমীরা- দাবি হেযবুত তওহীদের উসকানি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার হেযবুত তওহীদের প্রতিবাদ, প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি ভাঙ্গা ২ নং সদরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, দ্রুত তদন্ত ও বদলির দাবি রাষ্ট্রের আদর্শ পরিবর্তন জরুরি: ইমাম সেলিম নোয়াখালীতে ইসলামী মহা-সমাবেশ সফল করতে মতবিনিময় সভা প্রাইেভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবা হাতে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী গভীর রাতে চাচীর ঘরে ভাতিজা, পুরুষাঙ্গ কেটে উধাও চাচী নোয়াখালীতে র‌্যাবের অভিযান: ২ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪ বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ, দুই বিরিয়ানি হাউজকে জরিমানা মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, ৩ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

ময়মনসিংহে মিষ্টির দোকান কর্মচারী-কারিগরদের মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩ ১১৯০৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিলীপ কুমার দাস, ময়মনসিংহ:

 

অতিরিক্ত কাজের মুজরি এবং সাপ্তাহিক ও বাৎসরিক ছুটির দাবিতে কর্মবিরতি এবং মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করেছেন ময়মনসিংহের মিষ্টির দোকান কর্মচারী ও কারিগররা।

 

মঙ্গলবার (২ মে ) সকালে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অমিত রায়, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি মাহবুব বিন ছাইফ, সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন খান, ময়মনসিংহ দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের আহ্বায়ক কমল বসাক, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল হাসান কাঞ্চন, সদস্য সচিব বাঁধন সরকার, মিষ্টির দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি দাসু ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক পল্টু সরকার, অটোবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দিলীপ সরকারসহ শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।

 

বক্তারা বলেন, বিগত তিন মাসে মিষ্টির দোকান ব্যবসায়ী সমিতি ও মেষ্টির দোকান মালিকদের তিনবার লিখিতভাবে দাবি জানানো হলেও কোনো ফল হয়নি। এরপর ২৮ এপ্রিল থেকে মিষ্টির দোকান কর্মচারি ও কারিগররা কর্মবিরতি শুরু করে। এব্যাপারে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র, জেলা প্রশাসক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ও নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি এবং আঞ্চলিক শ্রম দপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। কিন্তু এখনো দাবি আদায় হয়নি।

 

বক্তারা বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী কোনো প্রকার সাপ্তাহিক ছুটি, অসুস্থতাজনিত ছুটি, উৎসব ছুটি, অর্জিত ছুটি ও ওভারটাইম থেকেও তারা বঞ্চিত। এমনকি মিষ্টির দোকানের কোনো কারিগর বা কর্মচারীর পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে কিংবা মারা গেলে, ঈদ-পুজার উৎসবে বেতনসহ তাঁরা কোনো প্রকার ছুটি ভোগ করতে পারেন না। বক্তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত মিষ্টির দোকান কর্মচারি ও কারিগরদের কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

ময়মনসিংহে মিষ্টির দোকান কর্মচারী-কারিগরদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৭:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

দিলীপ কুমার দাস, ময়মনসিংহ:

 

অতিরিক্ত কাজের মুজরি এবং সাপ্তাহিক ও বাৎসরিক ছুটির দাবিতে কর্মবিরতি এবং মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করেছেন ময়মনসিংহের মিষ্টির দোকান কর্মচারী ও কারিগররা।

 

মঙ্গলবার (২ মে ) সকালে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অমিত রায়, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি মাহবুব বিন ছাইফ, সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন খান, ময়মনসিংহ দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের আহ্বায়ক কমল বসাক, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল হাসান কাঞ্চন, সদস্য সচিব বাঁধন সরকার, মিষ্টির দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি দাসু ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক পল্টু সরকার, অটোবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দিলীপ সরকারসহ শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।

 

বক্তারা বলেন, বিগত তিন মাসে মিষ্টির দোকান ব্যবসায়ী সমিতি ও মেষ্টির দোকান মালিকদের তিনবার লিখিতভাবে দাবি জানানো হলেও কোনো ফল হয়নি। এরপর ২৮ এপ্রিল থেকে মিষ্টির দোকান কর্মচারি ও কারিগররা কর্মবিরতি শুরু করে। এব্যাপারে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র, জেলা প্রশাসক, চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ও নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি এবং আঞ্চলিক শ্রম দপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। কিন্তু এখনো দাবি আদায় হয়নি।

 

বক্তারা বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী কোনো প্রকার সাপ্তাহিক ছুটি, অসুস্থতাজনিত ছুটি, উৎসব ছুটি, অর্জিত ছুটি ও ওভারটাইম থেকেও তারা বঞ্চিত। এমনকি মিষ্টির দোকানের কোনো কারিগর বা কর্মচারীর পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে কিংবা মারা গেলে, ঈদ-পুজার উৎসবে বেতনসহ তাঁরা কোনো প্রকার ছুটি ভোগ করতে পারেন না। বক্তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত মিষ্টির দোকান কর্মচারি ও কারিগরদের কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।