ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
ফের পেছাল আলোচিত শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামি ফের অস্ত্র নিয়ে আটক নোয়াখালীতে প্রথম বারের মত হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু কবিরহাটে স’মিলে মিলল অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ সম্পত্তি ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যা: দুই বছর পর কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেফতার-৩ কবিরহাটে জনসচেতনতা ও ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন নোয়াখালীতে অনূর্ধ্ব-১৮ “নোয়াখালী প্রিমিয়ার লীগের উদ্বোধন সুবর্ণচরে জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার ৯৯ বস্তা সরকারি চাল চুরির মামলায় কারাগারে, বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতায় আসামির মৃত্যু ফেনীতে হেযবুত তওহীদের ঈদ পুনর্মিলনী ও কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে ডেকে নিয়ে হত্যা, ৩ জনের কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩ ৬১৫০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীর লাইফ কেয়ার হাসপাতালের প্যাথলজিক ল্যাব টেকনিশিয়ান দৌলতউজ্জামান জয় (৩২) কে হত্যার দায়ে ৩জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

সোমবার (১২ জুন) দুপুরের দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিলুফার সুলতানা এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন।

 

দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার পৌর হাজীপুর এলাকার আহাম্মদ উল্যার ছেলে মো. সোহরাব হোসেন (২৬) একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে নওয়াজ শরীফ (২৬) ও ইসমাইল লেবারের ছেলে মো. রিয়াজ (২৭)।

 

জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৩ মে সন্ধ্যা ৬টার দিকে চৌমুহনী বাজারের লাইফ কেয়ার হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ান জয়কে আসামিরা চৌমুহনী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের পৌর হাজীপুর এলাকার মাওলানা কাসেমের বাড়ির সামনে ডেকে নিয়ে মাথায় ও কানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে চলে যায়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৫ মে সন্ধ্যার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে এ ঘটনায় নিহতের পিতা আবদুর রহমান বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার দুপুরে এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

 

মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গুলজার আহমেদ জুয়েল জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিল। সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিরা গ্রেফতারের পর থেকে তাদের সাজা ভোগ করতে হবে। এ মামলায় মো. বেলাল নামে এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে ডেকে নিয়ে হত্যা, ৩ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৭:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীর লাইফ কেয়ার হাসপাতালের প্যাথলজিক ল্যাব টেকনিশিয়ান দৌলতউজ্জামান জয় (৩২) কে হত্যার দায়ে ৩জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

সোমবার (১২ জুন) দুপুরের দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিলুফার সুলতানা এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন।

 

দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার পৌর হাজীপুর এলাকার আহাম্মদ উল্যার ছেলে মো. সোহরাব হোসেন (২৬) একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে নওয়াজ শরীফ (২৬) ও ইসমাইল লেবারের ছেলে মো. রিয়াজ (২৭)।

 

জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৩ মে সন্ধ্যা ৬টার দিকে চৌমুহনী বাজারের লাইফ কেয়ার হাসপাতালের ল্যাব টেকনিশিয়ান জয়কে আসামিরা চৌমুহনী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের পৌর হাজীপুর এলাকার মাওলানা কাসেমের বাড়ির সামনে ডেকে নিয়ে মাথায় ও কানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে চলে যায়। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৫ মে সন্ধ্যার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে এ ঘটনায় নিহতের পিতা আবদুর রহমান বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার দুপুরে এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

 

মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গুলজার আহমেদ জুয়েল জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিল। সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিরা গ্রেফতারের পর থেকে তাদের সাজা ভোগ করতে হবে। এ মামলায় মো. বেলাল নামে এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।