সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময় নোয়াখালীতে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, ৬টি আসনে ৪৭ প্রার্থী বৈধ বাস চালানোর আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা, অভিযানে গ্রেফতার চালক স্যোসাল মিডিয়ায় মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন নোয়াখালীতে ২৫শ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল-পিকআপ সংঘর্ষে ২ তরুণের মৃত্যু নোয়াখালীর শ্রেষ্ঠ কলেজ প্রধান প্রফেসর মাহবুবুর রহমান ওসমানী নোয়াখালী-ঢাকা রুটে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় যাত্রা শুরু করলো ‘সারা এক্সপ্রেস’ নোয়াখালীতে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ জমির বিরোধে বড় ভাইকে হত্যা, গ্রেফতার ছোট ভাই

এক মাসে আমানত হারিয়েছে ১০ ব্যাংকের ৩৬৩১ কোটি টাকা

জমা টাকা তুলে নিচ্ছেন গ্রাহকরা
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪ ২৫৫ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:

 

ব্যাপক ঋণ অনিয়মের মধ্য দিয়ে চরম তারল্য সংকটে শরিয়াহভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংক। ব্যাংকগুলো থেকে আমানত তুলে নিচ্ছেন গ্রাহকরা। এতে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ক্রমান্বয়ে কমছে। চলতি বছরের জুলাই মাসে ৩ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা আমানত কমেছে।

 

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের জুন শেষে দেশের পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ছিল ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। আর জুলাইয়ে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ৩ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা কমেছে।

 

ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একদিকে আমানত কমছে আর অপরদিকে ঋণ বিতরণ বাড়ছে- এটা প্রমাণ করে ইসলামি ব্যাংকগুলোর অবস্থা ভালো নয়। তাদের আয় হচ্ছে কম আবার ব্যয় করছে বেশি। ব্যাংকগুলোতে সব সমস্যার মূলে হল সুশাসন। সুশাসনের অভাবে ইসলামি ব্যাংকগুলোতে এসব সমস্যা দেখা দিয়েছে। এখানে আমানত কমা মানে মানুষের আস্থার অভাব।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৪ সালের জুন শেষে দেশের পূর্ণাঙ্গ ১০টি ইসলামি ব্যাংক, কয়েকটি প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ইসলামিক শাখা ও উইন্ডোগুলোর আমানতের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৪০ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা। আর এক মাস পর অর্থাৎ চলতি বছরের জুলাই শেষে ইসলামি ব্যাংক, প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ইসলামি শাখা ও উইন্ডোগুলোর আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ৩ হাজার ১৪ কোটি টাকা কমেছে।

 

ইসলামি ব্যাংকগুলো চলতি বছরের জুনের চেয়ে জুলাইয়ে ঋণ বিতরণ বেশি করেছে ১ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। তথ্য বলছে, জুন শেষে ইসলামি ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের স্থিতি ছিল ৫ লাখ ১৩ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা। আর এক মাস পর জুলাইয়ে ইসলামি ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৪ হাজার ৮৪১ কোটি টাকা।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুন শেষে শরীয়াহ ভিত্তিক ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ১০ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা। আর পরের মাস জুলাইয়ে ইসলামি ব্যাংকগুলো মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৭ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

এক মাসে আমানত হারিয়েছে ১০ ব্যাংকের ৩৬৩১ কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক:

 

ব্যাপক ঋণ অনিয়মের মধ্য দিয়ে চরম তারল্য সংকটে শরিয়াহভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংক। ব্যাংকগুলো থেকে আমানত তুলে নিচ্ছেন গ্রাহকরা। এতে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ক্রমান্বয়ে কমছে। চলতি বছরের জুলাই মাসে ৩ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা আমানত কমেছে।

 

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের জুন শেষে দেশের পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ছিল ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। আর জুলাইয়ে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ৩ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা কমেছে।

 

ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একদিকে আমানত কমছে আর অপরদিকে ঋণ বিতরণ বাড়ছে- এটা প্রমাণ করে ইসলামি ব্যাংকগুলোর অবস্থা ভালো নয়। তাদের আয় হচ্ছে কম আবার ব্যয় করছে বেশি। ব্যাংকগুলোতে সব সমস্যার মূলে হল সুশাসন। সুশাসনের অভাবে ইসলামি ব্যাংকগুলোতে এসব সমস্যা দেখা দিয়েছে। এখানে আমানত কমা মানে মানুষের আস্থার অভাব।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৪ সালের জুন শেষে দেশের পূর্ণাঙ্গ ১০টি ইসলামি ব্যাংক, কয়েকটি প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ইসলামিক শাখা ও উইন্ডোগুলোর আমানতের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৪০ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা। আর এক মাস পর অর্থাৎ চলতি বছরের জুলাই শেষে ইসলামি ব্যাংক, প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ইসলামি শাখা ও উইন্ডোগুলোর আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ৩ হাজার ১৪ কোটি টাকা কমেছে।

 

ইসলামি ব্যাংকগুলো চলতি বছরের জুনের চেয়ে জুলাইয়ে ঋণ বিতরণ বেশি করেছে ১ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। তথ্য বলছে, জুন শেষে ইসলামি ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের স্থিতি ছিল ৫ লাখ ১৩ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা। আর এক মাস পর জুলাইয়ে ইসলামি ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৪ হাজার ৮৪১ কোটি টাকা।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জুন শেষে শরীয়াহ ভিত্তিক ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ১০ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা। আর পরের মাস জুলাইয়ে ইসলামি ব্যাংকগুলো মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৭ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা।