জামায়াতের ৭ নেতাকর্মি হত্যা মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ১০:১৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫ ৫০৮ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জামায়াত-শিবিরের ৭ নেতাকর্মি হত্যা মামলায় বসুরহাট পৌরসভা ৬নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মানিককে (৫৩) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আরো পড়ুন: হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার শপথ
বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বসুরহাট পৌরসভা ৬নম্বর ওয়ার্ডের খাল বেপারী বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আরো পড়ুন: জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৩০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা শিবির
গ্রেফতার মানিক একই বাড়ির আবুল কালামের ছেলে এবং বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত ছিল।
আরো পড়ুন: শামুক ধরতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ২ বোনের মৃত্যু
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম জানান, আওয়ামী লীগ নেতা মানিক কোম্পানীগঞ্জে জামায়াত-শিবিরের ৭ নেতাকর্মি হত্যা মামলার আসামি। গত ৫ আগস্টের আওয়ামী সরকার পতনের পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আরো পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে প্রবাসীর হাতের কবজি কাটল সন্ত্রাসীরা
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৮নম্বর ওয়ার্ডের উপজেলা গেইটে জামায়াত-শিবিরের সাত নেতাকর্মি গুলিতে মারা যান। এই হত্যার ঘটনায় নিহত জামায়াত কর্মি সাইফুল ইসলামের বড় ভাই মো. আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলার আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়।
আরো পড়ুন: চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, অভিযানে গ্রেফতার ভুয়া র্যাব
পরবর্তীতে গত ২৬ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের নেতাকর্মি হত্যার ঘটনায় বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল, সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নুরুজ্জামানসহ ১১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা রুজু করা হয়। এছাড়া কোম্পানীগঞ্জ থানার সাবেক পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম, সাবেক উপপরিদর্শক সুধীর রঞ্জন বড়ুয়া, আবুল কালাম আজাদ, শিশির কুমার বিশ্বাস ও উংসিং মারমাকে মামলায় আসামি করা হয়।










