আ.লীগ কার্যালয়ের তালা ভেঙে ব্যানার টাঙানো, পুলিশের অভিযানে আটক-৫
- আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন নোয়াখালীর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ব্যানার টাঙানোর ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে সুধারাম থানার পুলিশ।
আরো পড়ুন: আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ ৯, বিএনপি ৫ ও জামায়াত ১
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর টাউন হল মোড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এর আগে, একই দিন ভোরে শহরের টাউন হল মোড় এলাকায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ব্যানার টাঙানোর এ ঘটনা ঘটে।
আরো পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন আব্বাস-নজরুল-রিজভীসহ ১০ জন
আটককৃতরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের আব্দুর রহিম নাজিমের ছেলে মোঃ সফিকুল ইসলাম নাজিম (৪৩), সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড পশ্চিম মাইজদী গ্রামের মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে মোঃ কাউছার হামিদ (৩৮), একই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ফতেহপুর গ্রামের মোঃ হেদায়েত উল্লাহ’র ছেলে মোঃ জিয়াউল রহমান রাজের (৪৮) চর মটুয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড রামান্দি গ্রামের হান্দু মিয়ার ছেলে মোঃ আবু সাঈদ (৫৫) ও নোয়াখালী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড হরিনারায়নপুর গ্রামের মৃত নরছন্দ পালের ছেলে বিদ্যুৎ রঞ্জন পাল (৪৯)।
আরো পড়ুন: যে বিভাগের লোক বেশি পেল মন্ত্রীসভায় স্থান
স্থানীয়রা জানান, ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগের দিন নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা। এসময় কার্যালয়ের ভিতরে ভাঙচুর করা হয়। পরবর্তীতে কার্যালয়ে প্রধান ফটকে তালা দেওয়া হয়। বুধবার সকালে আকস্মিক কয়েকজন যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মি দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং ‘নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়’ লেখা একটি ব্যানার প্রধান ফটকে টাঙান। এ সময় তারা দলীয় বিভিন্ন স্লোগান দেন। ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
আরো পড়ুন: চাঁদ দেখা গেলে বৃহস্পতিবার শুরু রোজা
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ভোরে কিছু লোক সেখানে ব্যানার টাঙায়। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পরপরই অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিষয়ে যাচাই বাছাই চলছে। ঘটনার কিছুক্ষণ পর ব্যানারটি সরিয়ে নেওয়া হয়।











