ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যা: ৩ দিনেও খুলেনি রহস্যের জট

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:১১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অটোরিকশা চালক হোসেন আহমেদ ওরফে হেঞ্জু মিয়া (৪০) হত্যাকাণ্ডের তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত সোমবার (৯ মার্চ) রাতে এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুমা আক্তার বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে, একই দিন বিকেল সোয়া ৩টার দিকে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গণিপুর খাল থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় গলাকাটা অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আরো পড়ুন: প্রাকৃতিক গ্যাস এলএনজি কার্গোর জন্য অনুমোদন ২৬৫৪ কোটি টাকা

নিহত হেঞ্জু জেলার সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের খলিশালটা গ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হেঞ্জু পেশায় একজন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক। তিনি বেগমগঞ্জের চৌমুহনী কলেজ রোড এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। গত ৩ মার্চ বিকেলে তিনি তার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। এরপর পুলিশ ও ভিকটিমের পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির করেও তার সন্ধান পায়নি।

আরো পড়ুন: দাপুটে জয় পেয়ে সিরিজে পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে দিয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

নিখোঁজের পাঁচ দিন পর গত সোমবার দুপুরের দিকে বেগমগঞ্জ স্টেডিয়াম সংলগ্ন গণিপুর খালে একটি সন্দেহজনক বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। দীর্ঘ সময় ধরে বস্তাটি একই স্থানে পড়ে থাকায় সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাটি উদ্ধার করে খুলে দেখে ভেতরে এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ রয়েছে। নিহতের হাত-পা প্লাস্টিক দিয়ে শক্তভাবে বাঁধা ছিল। পুলিশের ধারণা, ২-৩ দিন আগে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অন্য কোথাও তাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দী করে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যাতে হত্যার আলামত গোপন থাকে। তবে স্থানীয়দের দাবি, নিখোঁজের দিন রাতেই এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন: যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.সামছুজ্জামান বলেন, পুলিশ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে খুব তৎপর রয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের দিন রাতেই নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই সাথে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যা: ৩ দিনেও খুলেনি রহস্যের জট

আপডেট সময় : ০৯:১১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অটোরিকশা চালক হোসেন আহমেদ ওরফে হেঞ্জু মিয়া (৪০) হত্যাকাণ্ডের তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত সোমবার (৯ মার্চ) রাতে এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুমা আক্তার বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে, একই দিন বিকেল সোয়া ৩টার দিকে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গণিপুর খাল থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় গলাকাটা অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আরো পড়ুন: প্রাকৃতিক গ্যাস এলএনজি কার্গোর জন্য অনুমোদন ২৬৫৪ কোটি টাকা

নিহত হেঞ্জু জেলার সদর উপজেলার চরমটুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের খলিশালটা গ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হেঞ্জু পেশায় একজন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক। তিনি বেগমগঞ্জের চৌমুহনী কলেজ রোড এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। গত ৩ মার্চ বিকেলে তিনি তার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। এরপর পুলিশ ও ভিকটিমের পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির করেও তার সন্ধান পায়নি।

আরো পড়ুন: দাপুটে জয় পেয়ে সিরিজে পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে দিয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

নিখোঁজের পাঁচ দিন পর গত সোমবার দুপুরের দিকে বেগমগঞ্জ স্টেডিয়াম সংলগ্ন গণিপুর খালে একটি সন্দেহজনক বস্তা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। দীর্ঘ সময় ধরে বস্তাটি একই স্থানে পড়ে থাকায় সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাটি উদ্ধার করে খুলে দেখে ভেতরে এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ রয়েছে। নিহতের হাত-পা প্লাস্টিক দিয়ে শক্তভাবে বাঁধা ছিল। পুলিশের ধারণা, ২-৩ দিন আগে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অন্য কোথাও তাকে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দী করে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যাতে হত্যার আলামত গোপন থাকে। তবে স্থানীয়দের দাবি, নিখোঁজের দিন রাতেই এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন: যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.সামছুজ্জামান বলেন, পুলিশ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে খুব তৎপর রয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের দিন রাতেই নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই সাথে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।