ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শতাধিক পরিবার পেল উতাস’র ঈদ উপহার ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল তরুণীর সাথে ভিডিও ভাইরাল, হাতিয়ার সেই ইউএনও ওএসডি চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার কাভার্ডভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক হাতিয়ার ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ’সহ দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

বেগমগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত, নারী চিকিৎসকসহ গ্রেপ্তার-৪

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০ ৯৩৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নে বিয়ের প্রলোভনে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণ ও অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়ার পর গর্ভপাত করে ২৯সপ্তাহের শিশু হত্যার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনায় এক নারী চিকিৎসক ও একজন ইউপি সদস্যসহ ৪জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 
বৃহস্পতিবার রাতে ওই কিশোরীরর মা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন, হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তার, ইউপি সদস্য মুকবুল আহম্মদ, কমল সিংহ ও  ফারুক হোসেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দূর্গাপুর ইউনিয়নের এক দিনমজুরের কিশোরী মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে একই ইউনিয়নের আকাব্বর বেপারির ছেলে কায়সার হামিদ (২২)। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। বিষয়টি কায়সারকে জানানোর পর গত ৪জুলাই কৌশলে ওই কিশোরীকে চৌমুহনীর ইজিল্যাব নামের একটি ক্লিনিকে নিয়ে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করে। পরীক্ষায় ওই কিশোরীর ২৯সপ্তাহের গর্ভবতী বলে রিপোর্ট আসে। পরে কায়সার তার সহযোগী কমল সিংহের মাধ্যমে ওই কিশোরীকে চৌমুহনীর কলেজ রোডের নারী হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তারের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে ওষুধের মাধ্যমে গর্ভের শিশুটিকে মেরে ফেলে এবং গর্ভপাত করে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে গ্রাম্যশালিসের মাধ্যমে মিমাংসার চেষ্টা করেন ফারুকসহ কয়েকজন। কিন্তু মিমাংসা না করে বিষয়টি নিয়ে ফারুকসহ বাকীরা তালবাহানা শুরু করে। তাই নিরুপায় হয়ে কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশিদ জানান, ধর্ষণ ও গর্ভপাতে শিশু হত্যার ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হয়। মামলার পরপর অভিযান চালিয়ে এক নারী ও এক ইউপি সদস্যসহ চারজনকে  গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অপর আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বেগমগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত, নারী চিকিৎসকসহ গ্রেপ্তার-৪

আপডেট সময় : ১১:০৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০
নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নে বিয়ের প্রলোভনে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণ ও অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়ার পর গর্ভপাত করে ২৯সপ্তাহের শিশু হত্যার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনায় এক নারী চিকিৎসক ও একজন ইউপি সদস্যসহ ৪জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 
বৃহস্পতিবার রাতে ওই কিশোরীরর মা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন, হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তার, ইউপি সদস্য মুকবুল আহম্মদ, কমল সিংহ ও  ফারুক হোসেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দূর্গাপুর ইউনিয়নের এক দিনমজুরের কিশোরী মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে একই ইউনিয়নের আকাব্বর বেপারির ছেলে কায়সার হামিদ (২২)। এক পর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। বিষয়টি কায়সারকে জানানোর পর গত ৪জুলাই কৌশলে ওই কিশোরীকে চৌমুহনীর ইজিল্যাব নামের একটি ক্লিনিকে নিয়ে আল্ট্রাসোনোগ্রাম করে। পরীক্ষায় ওই কিশোরীর ২৯সপ্তাহের গর্ভবতী বলে রিপোর্ট আসে। পরে কায়সার তার সহযোগী কমল সিংহের মাধ্যমে ওই কিশোরীকে চৌমুহনীর কলেজ রোডের নারী হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তারের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে ওষুধের মাধ্যমে গর্ভের শিশুটিকে মেরে ফেলে এবং গর্ভপাত করে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে গ্রাম্যশালিসের মাধ্যমে মিমাংসার চেষ্টা করেন ফারুকসহ কয়েকজন। কিন্তু মিমাংসা না করে বিষয়টি নিয়ে ফারুকসহ বাকীরা তালবাহানা শুরু করে। তাই নিরুপায় হয়ে কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন উর রশিদ জানান, ধর্ষণ ও গর্ভপাতে শিশু হত্যার ঘটনায় মামলা রেকর্ড করা হয়। মামলার পরপর অভিযান চালিয়ে এক নারী ও এক ইউপি সদস্যসহ চারজনকে  গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অপর আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।