Sharing is caring!

২০১৯ বিশ্বকাপে সরাসরি কোয়ালিফাই করতে আইসিসির ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে ৮-এর মধ্যে থাকার শর্ত ছিল বাংলাদেশের সামনে। সেই কঠিন সমীকরণ মিলিয়ে ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে র‍্যাঙ্কিংয়ে ৭ এ উঠে বিশ্বকাপে সরাসরি কোয়ালিফাই করেছে বাংলাদেশ।
১০ দলের ২০২৩ বিশ্বকাপে সরাসরি কোয়ালিফাই করতে হলে ওয়ানডে সুপার লিগে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষ ৮-এ (স্বাগতিক ভারত সহ) থাকতে হবে। ৮টি ওয়ানডে সিরিজে অর্জিত পয়েন্ট অনুযায়ী গণ্য হবে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাইয়ের হিসাব।
গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু বাংলাদেশের ওয়ানডে সুপার লিগের মিশন। ইতোমধ্যে ওয়ানডে সুপার লিগে ৫টি সিরিজের মধ্যে ৪টির ট্রফি এবং ১০টি ম্যাচ জিতে ১০০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় সবার উপরে বাংলাদেশের অবস্থান।
বাংলাদেশের সামনে বাকি আছে আর মাত্র ৩টি সিরিজ, ৯টি ম্যাচ। দক্ষিণ আফ্রিকা, আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ তিনটি খেলবে বাংলাদেশ। এখন যে অবস্থায় দাঁড়িয়ে, তাতে ২০২৩ বিশ্বকাপে সরাসরি কোয়ালিফাই করার কক্ষপথে বাংলাদেশ। তামিম নিজেও সে বিশ্বাস করছেন-‘যদি একটা-দুইটা ম্যাচও জিতি আর হয়তো আমরা বিশ্বকাপের জন্য কোয়ালিফাই করবো।’
তবে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে যখন উঠে এসেছে বাংলাদেশ, তখন সেরা চার-এ থেকে ওয়ানডে সুপার লিগ শেষ করতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল-‘ আমার ব্যক্তিগত লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ সেরা চার-এ থেকে শেষ করব। ৭ বা ৮ নম্বর হয়ে বিশ্বকাপের জন্য কোয়ালিফাই করেন তাহলে তা কোনো পার্থক্য তৈরি করে না। যদি আমরা সেরা চার-এ থেকে যেতে পারি তা বড় একটা ব্যাপার হবে। অধিনায়ক হিসেবে চার-এ থেকে শেষ করাই আমার লক্ষ্য। কয় ম্যাচ জিততে পারি, কতো পয়েন্ট এসব আমার কাছে বিষয় না, আমার কথা হল শীর্ষ চার-এ থাকা।’
বাংলাদেশের সামনে অবশিষ্ট ৩টি সিরিজের একটি হোমে, অন্য দুটি অ্যাওয়ে। আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগে হোমে তিনটি সিরিজের সব ক’টি জিতেছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অবশিষ্ট সিরিজও জিততে চান তামিম-‘ আমাদের দক্ষিণ আফ্রিকা, আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে হবে। পারবো কি পারবো না কোন কিছুই নিশ্চিত করে বলা যায় না। যখন আপনার এ ধরণের সুযোগ থাকবে (ঘরের মাঠে আফগানদের বিপক্ষে) তখন সেটার সর্বোচ্চ সুবিধাটা তুলে নিতে হবে।’

Sharing is caring!