Sharing is caring!

মৌসুমের শুরুর দিকের হতাশা কাটিয়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা। টানা চার ম্যাচ জিতে পুরোনো ছন্দ ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন দলের নতুন কোচ জাভি হার্নান্দেজও। কিন্তু এর মাঝেই ফের হোঁচট খেলো কাতালান ক্লাবটি।
বৃহস্পতিবার রাতে উয়েফা ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচে তুরস্কের ক্লাব গ্যালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে জিততে পারেনি বার্সেলোনা। নিজেদের ঘরের মাঠের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র করেছে তারা। তাদের রুখে দেওয়ার নায়ক গ্যালাতাসারাইয়ের গোলরক্ষক ইনাকি পেনা।
বর্তমানে তুরস্কের ক্লাবটিতে খেললেও, পেনা মূলত বার্সেলোনার খেলোয়াড়। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারিতে মৌসুমের বাকি সময়ের জন্য লোনে বার্সেলোনা ছেড়ে গ্যালাতাসারাইয়ে পাড়ি জমিয়েছেন ২৩ বছর বয়সী এ গোলরক্ষক। তিনি প্রায় ৪ বছর ছিলেন বার্সেলোনা শিবিরে।
নিজের আসল ক্লাবের মুখোমুখি হয়ে যেনো সামর্থ্যের সর্বোচ্চটাই নিংড়ে দিয়েছেন পেনা। পুরো ম্যাচে ১৬টি শট নিয়েছে বার্সেলোনা। যার মধ্যে চারটিই ছিল লক্ষ্য বরাবর। কিন্তু একবারের জন্যও পিনাকে পরাস্ত করতে পারেননি ফেররান তোরেস, মেমফিস ডিপাইরা।
ম্যাচের ২৬ মিনিটের সময় ফ্রি কিকে দারুণ শট নিয়েছিলেন মেমফিস। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে নিজের জাল অক্ষত রাখেন পেনা। বিরতির আগে আরও একবার দলের ত্রাতা তিনি। এবার বাম পাশ থেকে নেওয়া মেমফিসের শট বামে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন এ তরুণ গোলরক্ষক।
দ্বিতীয়ার্ধেও কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে পেনাকে। মেমফিসের ক্রস থেকে দারুণ জায়গায় দাঁড়িয়ে হেড করেছিলেন সার্জিও বুসকেটস। তবে সেটি এক হাতে কোনোমতে ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন পেনা। পরে ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের শটও ফেরান তিনি।
পাশাপাশি ভাগ্যের সহায়তাও পেয়েছে গ্যালাতাসারাই। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে পিয়েরে এমেরিক আউবেমেয়াংয়ের ওভার হেড কিকে পাওয়া বলে খুব কাছ থেকে গোলের প্রচেষ্টা চালান ডি ইয়ং। কিন্তু বল বাধা পায় পোস্টে। ফলে বেঁচে যায় গ্যালাতাসারাই।
শেষ দিকে অবশ্য একবার বল জালে জড়ান গ্যালাতাসারাইয়ের বদলি খেলোয়াড় বাফেতিমবে গমিস। কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় সেই গোল। পরে আর কোনো দলই তেমন সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ম্যাচ শেষ হয় অমীমাংসিত অবস্থায়।
আগামী ১৭ মার্চ ফল নির্ধারণী দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে দুই দল।

Sharing is caring!