Sharing is caring!

সাউথ আফ্রিকায় ওডিআই সিরিজ জিতে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ। সেঞ্চুরিয়নে পাত্তা পায়নি প্রোটিয়ারা, একপেশে ম্যাচে তামিমদের জয় ৯ উইকেটে। ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে দলের জন্য ৩ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে বিসিবি।

তাসকিনের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ১৫৪ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। জবাবে তামিম-লিটনের জুটি ম্যাচ আরো সহজ করে দেয়। শেষপর্যন্ত ২৬ ওভার ৩ বলেই লক্ষ্যে পৌঁছায় টাইগাররা। ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা তাসকিন।

সেঞ্চুরিয়নেই কেটেছিলো দুই দশকের আক্ষেপ, ওখানেই সিরিজ জয়ের উৎসব। বড় দল ধরলে, উইন্ডিজের পর ট্রফি এলো সাউথ আফ্রিকার মাটিতে। এই অর্জন টাইগার ক্রিকেটের জন্য গর্বের, দলীয় সমন্বয় আর ত্যাগের সাক্ষী। আগামীর পথচলায় বড় প্রেরণা।

ইতিহাস গড়ার মঞ্চটা তৈরি হয় বোলিং ইউনিটের কল্যাণে উৎসবের প্রথম উপলক্ষ্য মিরাজের কল্যাণে। বিপজ্জনক কুইন্টন ডি কক এদিন থেমেছেন অল্পতেই।

ঘরের মাঠে সিরিজ হারলেই সমালোচনা ধেয়ে আসবে, ওটাই কি চাপ হলো প্রোটিয়াদের জন্য? কন্ডিশনের ফায়দা টাইগার পেইসাররা নিয়েছেন ঠিকঠাক, সেখানে নিউক্লিয়াস তাসকিন।

যখনই প্রয়োজন পড়েছে উইকেট তুলেছেন তাসকিন। তাতে ধসে গেছে স্বাগতিক ব্যাটিং অর্ডার…..ভেরানে, মালান, মিলার কিংবা প্রিটোরিয়াস..সবাই ধরাশায়ী ঢাকা এক্সপ্রেসের কাছে।

একপ্রান্তে তাসকিনের যে প্রভাব, তা পুঁজি কোরেই চাপ ধরে রাখতে সক্ষম সাকিব-শরিফুল। তাতে ৩৭ ওভার টিকেছে সাউথ আফ্রিকার প্রতিরোধ। ৫ ব্যাটার এক অঙ্কে আউট, মালানের ৩৯-ই সর্বোচ্চ। কোনমতে দেড়শ পেরিয়ে লজ্জায় পড়েছে বাভুমার দল। যা কিনা টাইগারদের বিপক্ষে সর্বনিম্ন স্কোর।

১৫৫ এর টার্গেট…শুরুতে বিশেষ কিছু চাই আফ্রিকার। অথচ ক্যাচ মিসে লিটন দাসকে জীবন দিলেন মহারাজ। ওখানেই যেন সাহস আরো বেড়ে গেলো টাইগারদের।
নতুন বলের চ্যালেঞ্জ সামলে এগিয়েছেন তামিম-লিটন, রেকর্ড ওপেনিং পার্টনারশিপ কাজটা আরো সহজ করে দেয়।

তামিম এদিন স্বমহিমায় ভাস্বর, লিটনও কম কিসে…রাবাদা-প্রিটোরিয়সদের পাত্তা না দিয়ে দুজন খেলে গেছেন অক্লেশে। পাঁচ ম্যাচ পর অধিনায়কের ব্যাটে বড় ইনিংস, আপসোস শুধু সেঞ্চুরিটা হলো না। ছোট টার্গেটের কারণে।

লিটনের বিদায়ে সাকিবকে নামতে হয়েছে। দুই সিনিয়র মিলে আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন। ওভার আগে ম্যাচ জিতে রঙিন উপলক্ষ্য। তামিম নটআউট ৮৭ রানে।

Sharing is caring!