Sharing is caring!

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
চেন্নাই সুপার কিংস: ২০ ওভারে ১৩১/৫ (উথাপ্পা ২৮, রাইডু ১৫, জাদেজা ২৬*, ধোনি ৫০*; উমেশ ২০-২)
কলকাতা নাইট রাইডার্স: ১৮.৩ ওভারে ১৩৩/৪ (রাহানে ৪৪ , রানা ২১, শ্রেয়াস ২০*, বিলিংস ২৫; ব্রাভো ৪-০-২০-৩)
ফল: কলকাতা নাইট রাইডার্স ৬ উইকেটে জয়ী
ম‍্যাচসেরা: উমেশ যাদব
গত মৌসুমে শিরোপার লড়াইয়ে চেন্নাইয়ের কাছে হেরেছিল কলকাতা। এবারের আইপিএলটা সেই দুই দলের লড়াই দিয়েই শুরু হলো। তবে এবার বদলে গেল বিজয়ী দলের নাম। সেই ম্যাচে জিতেছিল চেন্নাই সুপার কিংস, এবার কলকাতা। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শনিবার ৬ উইকেটে জিতেছে দলটি। ফলে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে প্রতিশোধ নিয়েই এবারের আইপিএলটা শুরু হলো কলকাতার।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য হয়েছিল বেশ আবেগি এক আবহে। প্রথম আইপিএলজয়ী অধিনায়ক শেন ওয়ার্নকে শ্রদ্ধা জানানো হয় এদিন। দেওয়া হয় টোকিও অলিম্পিকে ভারতকে পদক এনে দেওয়া অ্যাথলেটদের সম্মাননাও।
এরপর ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি চেন্নাইয়ের। টস হেরে ব্যাট করতে নামা দলটি উইকেট খোয়ানো শুরু করে শুরু থেকেই। ওপেনার রুতুরাজ গায়কোয়াড় উমেশ যাদবের শিকার হয়ে ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই। এরপর উমেশই ফেরান ডেভন কনওয়েকে (৩)।
শুরুটা দারুণ করেছিলেন রবিন উথাপ্পা, তবে তিনিও থামেন ২১ বলে ২৮ রান করে। এক পর্যায়ে ৬১ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে বসে চেন্নাই। এরপরই প্রতিরোধ গড়েন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা। গড়েন ৭০ রানের জুটি। ধোনি ফিফটি পান তিন বছর পর। আর জাদেজা করেন ২৬ রান।
জবাবে কলকাতা তাদের দুই ওপেনার ভেঙ্কেটেশ আইয়ার ও অজিঙ্কা রাহানের সুবাদে ভালো শুরু পায়। তাদের ৪৩ রানের জুটি ভাঙেন ডোয়াইন ব্রাভো। তিনে নামা নিতীশ রানাকেও ফেরান ব্রাভোই। এরপর রাহানে চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংসে জয়ের পথে এগিয়ে যেতে থাকে কলকাতা। ওপাশে থাকা স্যাম বিলিংসকে ফেরান প্রথম দুই উইকেট শিকারি ব্রাভো। তিন উইকেট নিয়ে আইপিএলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিও বনে যান তিনি।
তবে চেন্নাইকে ম্যাচটা আর জেতানো হয়নি ব্রাভোর। অধিনায়ক শ্রেয়াশ আইয়ারের কল্যাণে অনায়াস জয়টা তুলে নেয় কলকাতা। তাতে নেওয়া হয়ে যায় প্রতিশোধটাও।

Sharing is caring!