Sharing is caring!

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের গোলাগুলিতে সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদ ও দোষীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবীতে কালো পতাকা মিছিল করেছে জেলায় কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে মিছিলটি জেলা প্রসাশকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করে পুনঃরায় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়।

জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের উদ্যোগে এ কালো পতাকা মিছিলে গণমাধ্যমকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও অংশগ্রহণ করেন।

৪৫ ফিট লম্বা কালো পতাকার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে গণমাধ্যম কর্মীরা মিছিলে অংশ গ্রহণ করেন। প্রত্যেক গণমাধ্যকর্মীর হাতে ছিল একটি করে কালো পতাকা। গণমাধ্যম নেতৃবৃন্দ জানান, মুজ্জাকির হত্যার সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজারে বসুরহাট পৌরসভার ময়র মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশও কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল ও শর্টগানের গুলি ছুঁড়ে। ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষের মুখে পড়ে গুলিবিদ্ধ হন সাংবাদিক মুজাক্কির’সহ ৭-৮জন। পরে আশংকাজনক অবস্থায় মুজাক্কিরকে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে গত শনিবার রাত ১০টা ৪৫মিনিটে তার মৃত্যু হয়। মুজাক্কির অনলাইন নিউজ পোর্টাল বার্তা বাজারের নোয়াখালী প্রতিনিধি ছিলেন। সংঘর্ষ, গুলির ঘটনা পুলিশ বাদী হয়ে দুটি, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এর মধ্যে পুলিশের মামলা দুটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং মুজাক্কির হত্যাকান্ডের ঘটনায় তার বাবার দায়ের করা মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে। বাদলের দায়ের করা মামলাটি কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ তদন্ত করছে। তবে মুজাক্কির হত্যার ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

Sharing is caring!