Sharing is caring!

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এর পরবর্তী আসরের জন্য আগামী মাসেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই টুর্নামেন্টের নিলাম। ভারতীয় বোর্ডের তরফ থেকে কোনো তারিখ ঘোষণা করা না হলেও দেশটির গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বরের শেষ অথবা জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহে এই নিলাম আয়োজন করতে পারে আইপিএল কমিটি। আগের আইপিএলে অংশগ্রহণকারী ৮টি দলের সঙ্গে এই বছর দুটি নতুন দল সংযোজিত হয়ে মোট ১০দলের আইপিএল হতে চলেছে ২০২২ সালে।

এর আগে নিলামে খেলোয়াড় বাছাই করার জন্য ভারতীয় বোর্ড, বিসিসিআই প্লেয়ার রিটেনশন পলিসি এনেছে। যেখানে আগের ৮টি দল ৪জন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে। সেই খেলোয়াড়ের তালিকা ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশি কোন ক্রিকেটারকে ধরে রাখেনি তাদের পুরানো ফ্রাঞ্চাইজি। বাংলাদেশিদের মধ্যে নিয়মিত আইপিএল খেলেন সাকিব ও মোস্তাফিজ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলতেন সাকিব অন্যদিকে মোস্তাফিজ খেলতেন রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে। দুই দলের কেউই তাদের নিজেদের দলে রাখতে আগ্রহী নয়। কলকাতা আন্দ্রে রাসেল, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, বরুণ চক্রবর্তী এবং সুনীল নারিনকে দলে রেখেছে।

অন্যদিকে রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন,জস বাটলার এবং জয়েসওয়ালকে নিজেদের দলে রেখেছে। এতে আগামী আইপিএলের নিলামে উঠবে সাকিব-মোস্তাফিজ। সেখানে কোন ফ্রাঞ্চাইজি যদি আগ্রহ দেখায়, তবেই পরবর্তী আইপিএলে খেলা হবে তাদের। আইপিএলে এ পর্যন্ত মোস্তাফিজুর রহমান তিন দলের হয়ে খেলেছেন। মোট ৩৮ ম্যাচে ৩৮ টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, আগামী আসরে বাংলাদেশের কাটার মাষ্টারকে দলে টানতে পারেন সাকিবের সাবেক ক্লাব কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্যাট কামিন্স কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের প্রধান পেসার ছিলেন। ছিলেন নিউজিল্যান্ডের লকি ফার্গুসন।

কেকেআর দুজনের মধ্যে সম্ভবত একজনকে রাখবে। সেক্ষেত্রে বাঁহাতি পেসার হিসেবে মোস্তাফিজুরকে নিতে পারে কেকেআর। ইডেনে খেলা হবে। বাংলাদেশি পেসারকে কলকাতার সমর্থন মিলবে সেটা নিশ্চিত। তাছাড়া কামিন্স বা ফার্গুসনের থেকে কিছুটা হলেও কম টাকায় পাওয়া যাবে মোস্তাফিজুরকে। ডেথ ওভারে বুদ্ধিদীপ্ত বল করতে পারেন তিনি।

Sharing is caring!