ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

স্বামী পরিত্যক্ত নারী ও মেয়েকে কুপ্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় বাড়িতে হামলা-ভাংচুর, প্রতিবাদে ভুক্তভোগী নারীর সংবাদ সম্মেলন

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬ ৭১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর কবিরহাটে এক স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বসত বাড়ি ও ঘরে হামলা এবং ভাংচুর চালিয়ে বাড়িঘর দখল করার চেষ্টার অভিযোগ করেন সাবেক স্বামী ও স্থানীয় কয়েক জনের বিরুদ্ধে। এঘটনার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী নারী ও এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন।

শনিবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় কবিরহাট উপজেলাধীন ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের গাজীর খেয়া নামক স্বানে ভুক্তভোগী নারী সেলিনার বসত বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী জানান, তিনি এই এলাকাতে একটা বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করলে স্থানীয় করিম, কালাম ও হাসেম নামের কিছু বখাটে লোক ভুক্তভোগী নারীকে কুপ্রস্তাব সহ দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন, তাদের কোন প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন। সেটি কাজে লাগিয়েছে গত ৮ মাস পূর্বে দেশে আশার পরে তাদের সুন্দর সংসার চলছিলো, এর মধ্যে এলাকার সেই খারাপ লোক গুলো তার স্বামীকে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা কথা বললে সে এগুলো নিয়ে জ্বামেলা শুরু করেন। পরে গত জ্জ মাস পূর্বে কোর্টের মাধ্যমে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। তারপর ২৫ মার্চ রাতে তার সাবেক স্বামী এলাকার ঐ লোক গুলোকে নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করেন। এক পর্যায়ে ঘরে ভাংচুর করে ভিতরে ঢুকে পড়েন, এবং তাকে ও তার মেয়ে এবং বোনকে বিভিন্ন নির্যাতন করে থাকেন, স্বর্ণলংকার সহ হাতের ব্যবহারিত মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। পরে এলাকার মানুষের সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম ও ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইলিয়াছ মেম্বার জানান, লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনার দিন রাতে হামলার শিকার মহিলার বাড়িতে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আটক করে পুলিশে সোফর্দ করা হয়। এর পর স্থানীয় করিম, কালাম ও হাসেম গংরা আমাদের নানা রকম হুমকি ধমকি দিতে থাকে যে গাজীর খেয়া বাজারে গেলে আমাদের মারধর ও হামলা করবে। তার পরেই কাশেম ও তার ছেলেকে বাজারে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে মারধর করেন। ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী এ ঘটনার সুস্থ বিচারের দাবি করেন।

এ বিষয়ে কবিরহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুরুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ৪জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। পরে হামলার শিকার ওই নারীর মামলার আলোকে আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয় এবং অপর আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

স্বামী পরিত্যক্ত নারী ও মেয়েকে কুপ্রস্তাব, রাজি না হওয়ায় বাড়িতে হামলা-ভাংচুর, প্রতিবাদে ভুক্তভোগী নারীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১১:০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীর কবিরহাটে এক স্বামী পরিত্যক্ত নারীকে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বসত বাড়ি ও ঘরে হামলা এবং ভাংচুর চালিয়ে বাড়িঘর দখল করার চেষ্টার অভিযোগ করেন সাবেক স্বামী ও স্থানীয় কয়েক জনের বিরুদ্ধে। এঘটনার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী নারী ও এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন।

শনিবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় কবিরহাট উপজেলাধীন ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের গাজীর খেয়া নামক স্বানে ভুক্তভোগী নারী সেলিনার বসত বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারী জানান, তিনি এই এলাকাতে একটা বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করলে স্থানীয় করিম, কালাম ও হাসেম নামের কিছু বখাটে লোক ভুক্তভোগী নারীকে কুপ্রস্তাব সহ দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন, তাদের কোন প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন। সেটি কাজে লাগিয়েছে গত ৮ মাস পূর্বে দেশে আশার পরে তাদের সুন্দর সংসার চলছিলো, এর মধ্যে এলাকার সেই খারাপ লোক গুলো তার স্বামীকে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা কথা বললে সে এগুলো নিয়ে জ্বামেলা শুরু করেন। পরে গত জ্জ মাস পূর্বে কোর্টের মাধ্যমে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। তারপর ২৫ মার্চ রাতে তার সাবেক স্বামী এলাকার ঐ লোক গুলোকে নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করেন। এক পর্যায়ে ঘরে ভাংচুর করে ভিতরে ঢুকে পড়েন, এবং তাকে ও তার মেয়ে এবং বোনকে বিভিন্ন নির্যাতন করে থাকেন, স্বর্ণলংকার সহ হাতের ব্যবহারিত মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। পরে এলাকার মানুষের সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম ও ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইলিয়াছ মেম্বার জানান, লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনার দিন রাতে হামলার শিকার মহিলার বাড়িতে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আটক করে পুলিশে সোফর্দ করা হয়। এর পর স্থানীয় করিম, কালাম ও হাসেম গংরা আমাদের নানা রকম হুমকি ধমকি দিতে থাকে যে গাজীর খেয়া বাজারে গেলে আমাদের মারধর ও হামলা করবে। তার পরেই কাশেম ও তার ছেলেকে বাজারে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে মারধর করেন। ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী এ ঘটনার সুস্থ বিচারের দাবি করেন।

এ বিষয়ে কবিরহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুরুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ৪জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। পরে হামলার শিকার ওই নারীর মামলার আলোকে আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয় এবং অপর আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।