সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ২৫শ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ, ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল-পিকআপ সংঘর্ষে ২ তরুণের মৃত্যু নোয়াখালীর শ্রেষ্ঠ কলেজ প্রধান প্রফেসর মাহবুবুর রহমান ওসমানী নোয়াখালী-ঢাকা রুটে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় যাত্রা শুরু করলো ‘সারা এক্সপ্রেস’ নোয়াখালীতে স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ জমির বিরোধে বড় ভাইকে হত্যা, গ্রেফতার ছোট ভাই নোয়াখালীতে স্বর্ণ চুরির ঘটনায় নারী’সহ আটক-৩ নোয়াখালীতে শীতার্ত ১০ সহস্রাধিক মানুষ পেল আম্বার গ্রুপের কম্বল আদালতের নির্দেশে ১৭ মাস পর তোলা হলো ইমতিয়াজের লাশ থানার পাশেই সুপার মার্কেট, ১২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে চোরের দল

সীমান্তে সেনা পাঠাচ্ছে উ. কোরিয়া, সিউলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২০ ৪৫৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক :

দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী বেসামরিক অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার হুমকি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। সীমান্তে আন্তঃকোরিয়া যোগাযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠিত একটি অফিস উড়িয়ে দেওয়ার একদিন পর গতকাল বুধবার এ হুমকি দিল উত্তর কোরিয়া। খবর: পার্স টুডে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন পিয়ংইয়ংয়ের গত মঙ্গলবারের ওই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শুরু করার জন্য উত্তর কোরিয়ায় প্রতিনিধি পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার নেতার প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং ওই প্রস্তাবকে ‘কৌশলহীন ও কুচক্রী’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। কিম ইয়ো জংয়ের এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সিউল একে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ ও ‘অত্যন্ত রুঢ়’ বলে মন্তব্য করেছেন।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ’তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী বলেছে, তারা ‘মাউন্ট কুমগ্যাং’ পর্যটন এলাকা এবং ‘কায়েসং’ কমপ্লেক্সে রেজিমেন্ট পর্যায়ের সেনা মোতায়েন করবে।

দুই কোরিয়ার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং দু’দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য এ দুটি এলাকা ব্যবহƒত হয়ে আসছিল। মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়া যে অফিসটি উড়িয়ে দিয়েছে তা এ কায়েসং কমপ্লেক্সের মধ্যে অবস্থিত। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন গত বছর এ কমপ্লেক্সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত একটি ডিলিমিলিটারাইজড জোন দ্বারা বিভক্ত, যা একটি অসামরিক নিরপেক্ষ অঞ্চল হিসেবে

বিবেচিত। ১৯৫০ সালে কোরিয়ান যুদ্ধের পর এ বিভক্তি হয়েছে। গত মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী বলেছে, অসামরিক অঞ্চলে সেনা পাঠানোর ব্যাপারে তারা একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। দেশটির সেনাবাহিনীর দপ্তর জানিয়েছে, তারা ‘অতি সতর্ক’ আছেন এবং সরকারি সিদ্ধান্ত আসা মাত্রই তারা দ্রুততার সঙ্গে তা বাস্তবায়নে প্রস্তুত রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

সীমান্তে সেনা পাঠাচ্ছে উ. কোরিয়া, সিউলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

আপডেট সময় : ১২:৩৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২০

ডেস্ক :

দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী বেসামরিক অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার হুমকি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। সীমান্তে আন্তঃকোরিয়া যোগাযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠিত একটি অফিস উড়িয়ে দেওয়ার একদিন পর গতকাল বুধবার এ হুমকি দিল উত্তর কোরিয়া। খবর: পার্স টুডে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন পিয়ংইয়ংয়ের গত মঙ্গলবারের ওই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শুরু করার জন্য উত্তর কোরিয়ায় প্রতিনিধি পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার নেতার প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং ওই প্রস্তাবকে ‘কৌশলহীন ও কুচক্রী’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। কিম ইয়ো জংয়ের এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সিউল একে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ ও ‘অত্যন্ত রুঢ়’ বলে মন্তব্য করেছেন।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ’তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী বলেছে, তারা ‘মাউন্ট কুমগ্যাং’ পর্যটন এলাকা এবং ‘কায়েসং’ কমপ্লেক্সে রেজিমেন্ট পর্যায়ের সেনা মোতায়েন করবে।

দুই কোরিয়ার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং দু’দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য এ দুটি এলাকা ব্যবহƒত হয়ে আসছিল। মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়া যে অফিসটি উড়িয়ে দিয়েছে তা এ কায়েসং কমপ্লেক্সের মধ্যে অবস্থিত। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন গত বছর এ কমপ্লেক্সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত একটি ডিলিমিলিটারাইজড জোন দ্বারা বিভক্ত, যা একটি অসামরিক নিরপেক্ষ অঞ্চল হিসেবে

বিবেচিত। ১৯৫০ সালে কোরিয়ান যুদ্ধের পর এ বিভক্তি হয়েছে। গত মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী বলেছে, অসামরিক অঞ্চলে সেনা পাঠানোর ব্যাপারে তারা একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। দেশটির সেনাবাহিনীর দপ্তর জানিয়েছে, তারা ‘অতি সতর্ক’ আছেন এবং সরকারি সিদ্ধান্ত আসা মাত্রই তারা দ্রুততার সঙ্গে তা বাস্তবায়নে প্রস্তুত রয়েছেন।