ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫
সংবাদ শিরোনাম ::
অটোরিকশার সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, পাঁচ শিশুসহ আহত-৬ মানবিক তারুণ্যের ৮ম যুব সম্মেলন ও এ্যাওয়ার্ড বিতরণ সম্পত্তির বিরোধ নিয়ে থানায় অভিযোগ, পুলিশের তদন্তকালে বাদীর উপর হামলা, আহত ৪ হাসনাত-সারজিস ছাত্রলীগ থেকে গিয়ে নতুন দলে এসেছে: ইসমাইল সম্রাট কবিরহাটের একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র শিরিন গার্ডেনে হামলার অভিযোগ, পুলিশসহ আহত ৭ সুধারামে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, অভিযোগ যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতকর্মীদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মালিকানা ছিনতাই করেও এনসিপি সংগঠন হিসেবে ব্যর্থ হয়েছে: নাছির Blind Amjad receives Eid gift from Tarique Zia জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে দৃষ্টি হারানো আমজাদ পেলো তারেক জিয়ার ঈদ উপহার ভাড়াটিয়ার দোকানে তালা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

যে কারণে পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে রেখেছেন সাকিব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১ ২৩৬১ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: ইন্টারনেট

সাকিব আল হাসানের ৩ সন্তানসহ স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির বেশ কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে থাকছেন। এদিকে খেলার ফাঁকে বা ছুটি নিয়ে সাকিব চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। স্ত্রী-সন্তানদের সময় দেন। নিজের পরিবারকে বাংলাদেশে না রেখে যুক্তরাষ্ট্রে কেন রাখছেন সে বিষয়ে বিশ্বসেরা অন্যতম অলরাউন্ডার জানিয়েছে, মূলত বড় মেয়ে আলাইনার জন্যই যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নিয়েছেন। বাংলাদেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে আলাইনা স্বছন্দবোধ করে বলে মনে হয় তার কাছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উওরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। আমি স্কুলের উদাহরণটা বারবার দিচ্ছি। কারণ আমি তো দেখেছি এখানে (বাংলাদেশ) স্কুলে যাওয়ার আগে ও (বড় মেয়ে অ্যালাইনা) ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন কাঁদত। ওখানে (যুক্তরাষ্ট্র) এক ডাক দেওয়ার আগেই নিজে উঠে চোখ বন্ধ করে নিজে ব্রাশ করে স্কুলের জন্য রেডি হয়ে যায়।

এর থেকে ভালো কিছু আমার জন্য আর কী আছে? আর প্রতিদিন স্কুল থেকে আসার সময় যে খুশিমনে আসে, এগুলো তো আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া। এটা আমি নষ্ট করতে চাই না। তাছাড়া ওর নিজেরও এখন বোঝার বয়স হয়েছে ও কী চায়, না চায়! এখন এখানে (বাংলাদেশ) আসলেও ওর ভালো লাগতে পারে। ও তো এখন একটা বয়স থেকে আরেকটা বয়সে যাচ্ছে। এই সময় বাচ্চাদের অনেক কিছু চেঞ্জ হয়। বাংলাদেশে এলে ও এখানে পছন্দও করতে পারে। কিন্তু আমি তো নিশ্চিত নই। সাকিব আরো বলেন, ‘আমার কাছে ফ্যামিলি সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ। তার পরে বাকি সবকিছু। একটা সময় তো ওরা ঢাকাতেই ছিল। কিন্তু এখন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর যখন আমি দেখি, আমার মেয়ে স্কুলে হাসিমুখে যাচ্ছে-আসছে, কত এনজয় করছে। এটা তো আমি আমার জন্য পরিবর্তন করতে পারি না। আমি নিজে ভালো থাকার জন্য স্বার্থপরের মতো ওর লাইফটা তো খারাপ করতে পারব না। আমার কষ্ট হচ্ছে, সেটার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে আমার নিজের জন্য ওর লাইফটা চেঞ্জ করার অধিকার তো আমার নাই।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যে কারণে পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে রেখেছেন সাকিব

আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২১

ছবি: ইন্টারনেট

সাকিব আল হাসানের ৩ সন্তানসহ স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির বেশ কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে থাকছেন। এদিকে খেলার ফাঁকে বা ছুটি নিয়ে সাকিব চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। স্ত্রী-সন্তানদের সময় দেন। নিজের পরিবারকে বাংলাদেশে না রেখে যুক্তরাষ্ট্রে কেন রাখছেন সে বিষয়ে বিশ্বসেরা অন্যতম অলরাউন্ডার জানিয়েছে, মূলত বড় মেয়ে আলাইনার জন্যই যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নিয়েছেন। বাংলাদেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে আলাইনা স্বছন্দবোধ করে বলে মনে হয় তার কাছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উওরে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ। আমি স্কুলের উদাহরণটা বারবার দিচ্ছি। কারণ আমি তো দেখেছি এখানে (বাংলাদেশ) স্কুলে যাওয়ার আগে ও (বড় মেয়ে অ্যালাইনা) ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন কাঁদত। ওখানে (যুক্তরাষ্ট্র) এক ডাক দেওয়ার আগেই নিজে উঠে চোখ বন্ধ করে নিজে ব্রাশ করে স্কুলের জন্য রেডি হয়ে যায়।

এর থেকে ভালো কিছু আমার জন্য আর কী আছে? আর প্রতিদিন স্কুল থেকে আসার সময় যে খুশিমনে আসে, এগুলো তো আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া। এটা আমি নষ্ট করতে চাই না। তাছাড়া ওর নিজেরও এখন বোঝার বয়স হয়েছে ও কী চায়, না চায়! এখন এখানে (বাংলাদেশ) আসলেও ওর ভালো লাগতে পারে। ও তো এখন একটা বয়স থেকে আরেকটা বয়সে যাচ্ছে। এই সময় বাচ্চাদের অনেক কিছু চেঞ্জ হয়। বাংলাদেশে এলে ও এখানে পছন্দও করতে পারে। কিন্তু আমি তো নিশ্চিত নই। সাকিব আরো বলেন, ‘আমার কাছে ফ্যামিলি সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ। তার পরে বাকি সবকিছু। একটা সময় তো ওরা ঢাকাতেই ছিল। কিন্তু এখন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর যখন আমি দেখি, আমার মেয়ে স্কুলে হাসিমুখে যাচ্ছে-আসছে, কত এনজয় করছে। এটা তো আমি আমার জন্য পরিবর্তন করতে পারি না। আমি নিজে ভালো থাকার জন্য স্বার্থপরের মতো ওর লাইফটা তো খারাপ করতে পারব না। আমার কষ্ট হচ্ছে, সেটার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে আমার নিজের জন্য ওর লাইফটা চেঞ্জ করার অধিকার তো আমার নাই।’