ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কিশোরগ্যাং বিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে আরো ১৪৫ আটক ঘুমন্ত সাবেক স্বামীকে ছু/রিকা-ঘাতে হ-ত্যা, স্ত্রী-শাশুড়ি আটক প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কি/শো/রী/কে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১০৪ জয়পুরহাটে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ত্রিশাল নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সভাপতি ড. রফিক ও সম্পাদক মোখলেছ দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে আটক ১১০৬ কবিরহাটে সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ নতুন কূপে খনন শেষে মিলেছে গ্যাস, জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন যুক্ত হবে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

করোনার চেয়ে পরিবেশ দূষণেই বেশি মৃত্যু : জাতিসংঘ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৫৩৩৬ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোভিড-১৯ মহামারী নয় বরং বিভিন্ন দেশ এবং কোম্পানির পরিবেশ দূষণ বিশ্বজুড়ে বেশি মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী বলে জানানো হয়েছে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে।
মঙ্গলবার জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক এই প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে। এতে কয়েকটি বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধে ‘জরুরি ভিত্তিতে এবং উচ্চাভিলাষী ব্যবস্থা’ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কীটনাশক, প্লাস্টিক এবং ইলেকট্রনিক বর্জ্যের কারণে বিশ্বজুড়ে যে দূষণ হচ্ছে তাতে মানবাধিকার ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। পাশাপাশি এই দূষণ বিশ্বজুড়ে এক বছরে অন্তত ৯০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটাচ্ছে। অথচ গুরুতর এই বিষয়টি বেশিরভাগ সময়ই এড়িয়ে চলা হয়।
ওয়াল্ডমিটারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ মহামারীতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৯ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
পরিবেশ নিয়ে ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ডেভিড বয়েড বলেন, ‘দূষণ এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে মানুষ যে মৃত্যু ঝুঁকিতে রয়েছে তা প্রতিরোধে বর্তমানে যেসব ব্যবস্থা আছে সেগুলো যে ব্যর্থ তা পরিষ্কারভাবেই বোঝা যাচ্ছে। এর ফলে মানুষের একটি সতেজ, স্বাস্থ্যকর এবং স্থিতিশীল পরিবেশ পাওয়ার অধিকার বিশ্বজুড়েই লঙ্ঘিত হচ্ছে।’
আগামী মাসে পরিবেশবিষয়ক এই প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে উপস্থাপন করা হবে। জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ স্বাস্থ্যকর পরিবেশকে মানুষের মানবিক অধিকার বলে ঘোষণা করেছে।
মঙ্গলবার পরিষদের ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। সেখানে মানুষের তৈরি পরিবেশ দূষণকারী পদার্থ পলিফ্লুরোয়ালকাইল এবং পারফ্লুরোঅ্যালকাইলের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নন-স্টিক তৈজসপত্র তৈরিতে ওই দুই পদার্থ ব্যবহার করা হয়।

পলিফ্লুরোয়ালকাইল এবং পারফ্লুরোঅ্যালকাইলের সঙ্গে মানুষের ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার সম্পর্ক রয়েছে। এটিকে ‘আজীবনের রাসায়নিক’ বলা হয়। কারণ, এটি সহজে ভাঙে না তাই এটি পরিবেশ থেকে নির্মূলও হয় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনার চেয়ে পরিবেশ দূষণেই বেশি মৃত্যু : জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ১২:২০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

কোভিড-১৯ মহামারী নয় বরং বিভিন্ন দেশ এবং কোম্পানির পরিবেশ দূষণ বিশ্বজুড়ে বেশি মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী বলে জানানো হয়েছে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে।
মঙ্গলবার জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক এই প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে। এতে কয়েকটি বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধে ‘জরুরি ভিত্তিতে এবং উচ্চাভিলাষী ব্যবস্থা’ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কীটনাশক, প্লাস্টিক এবং ইলেকট্রনিক বর্জ্যের কারণে বিশ্বজুড়ে যে দূষণ হচ্ছে তাতে মানবাধিকার ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। পাশাপাশি এই দূষণ বিশ্বজুড়ে এক বছরে অন্তত ৯০ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু ঘটাচ্ছে। অথচ গুরুতর এই বিষয়টি বেশিরভাগ সময়ই এড়িয়ে চলা হয়।
ওয়াল্ডমিটারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ মহামারীতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৯ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
পরিবেশ নিয়ে ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি ডেভিড বয়েড বলেন, ‘দূষণ এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের কারণে মানুষ যে মৃত্যু ঝুঁকিতে রয়েছে তা প্রতিরোধে বর্তমানে যেসব ব্যবস্থা আছে সেগুলো যে ব্যর্থ তা পরিষ্কারভাবেই বোঝা যাচ্ছে। এর ফলে মানুষের একটি সতেজ, স্বাস্থ্যকর এবং স্থিতিশীল পরিবেশ পাওয়ার অধিকার বিশ্বজুড়েই লঙ্ঘিত হচ্ছে।’
আগামী মাসে পরিবেশবিষয়ক এই প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে উপস্থাপন করা হবে। জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ স্বাস্থ্যকর পরিবেশকে মানুষের মানবিক অধিকার বলে ঘোষণা করেছে।
মঙ্গলবার পরিষদের ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। সেখানে মানুষের তৈরি পরিবেশ দূষণকারী পদার্থ পলিফ্লুরোয়ালকাইল এবং পারফ্লুরোঅ্যালকাইলের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নন-স্টিক তৈজসপত্র তৈরিতে ওই দুই পদার্থ ব্যবহার করা হয়।

পলিফ্লুরোয়ালকাইল এবং পারফ্লুরোঅ্যালকাইলের সঙ্গে মানুষের ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার সম্পর্ক রয়েছে। এটিকে ‘আজীবনের রাসায়নিক’ বলা হয়। কারণ, এটি সহজে ভাঙে না তাই এটি পরিবেশ থেকে নির্মূলও হয় না।