Sharing is caring!

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

 

 

নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলায় প্রতিবন্ধী মেয়ে তসলিমাকে (১৮) নিয়ে দুঃখের শেষ নেই কমলা খাতুনের । স্বামীর মৃত্যুর পর ভিক্ষাবৃত্তি করে সংসার চালান এই বিধবা নারী কমলা। দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে থাকতেন অন্যের জায়গায়, ঝুপড়ি ঘরে। সীমাহীন দুঃখে কষ্ট আর ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করেই কাটতো বিধবা কমলা খাতুনের (৫০) জীবন-জীবিকা।

 

উপজেলার ৩নং ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের উত্তর জগদানন্দ গ্রামের বাসিন্দা মৃত আবদুল খালেকের স্ত্রী কমলা খাতুন।

 

বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশের আইজিপি বেনজীর আহমেদের উদ্যোগে সারা দেশের মতো নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের জগদানন্দ গ্রামের বিধবা কমলা খাতুন(৫০) পান দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি পাঁকা ঘর।

 

নতুন ঘর পেয়ে কমলা খাতুন বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে খুব কষ্টে জীবনযাপন করছি। পুলিশ আমাদের জন্য যা করছে সেটি কোনও দিন ভুলবার নয়। বাংলাদেশ পুলিশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

বিধবা কমলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট আবেদন জানিয়ে বলেন, পুলিশ আমার পরিবারকে ঘর দিয়েছে। গরীবের আশ্রয়দাতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার সংসার চালানোর জন্য একটা জীবিকার ব্যবস্থা করে দিলে সন্তানদের নিয়ে ভালো থাকবো।

 

কমলার মেয়ে হাসিনা বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে খালপাড়ে ঝুপড়ি ঘরে অনেক কষ্টে বসবাস করতাম। ঝড়বৃষ্টিতে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিতে হতো আমাদের। এখন পুলিশ আমাদেরকে একটি ঘর দিয়েছে। তাই আমরা অনেক খুঁশি।

 

১০ এপ্রিল (রোববার) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও পুলিশের আইজিপি বেনজীর আহমেদ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নোয়াখালী জেলার নয় থানায় নয়টি ঘর উদ্বোধন করে ঘর গুলো উপকার ভূগিদের হাতে হস্তান্তর করেছে।

Sharing is caring!