Sharing is caring!

ডেস্কঃ

রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে সহজ-সরল গরুর বেপারীদের ছোট নোটের বান্ডিলের উপরে-নিচে বড় নোট দিয়ে সাজিয়ে ঠকবাজি করে আসছিল একটি চক্র। তারা ৫০ ও ১০০ টাকার পুরাতন নোটের বান্ডিলের উপরে নিচে ৫০০ ও এক হাজার টাকার নোট দিয়ে প্রতারণা করছিল।

অভিযোগে পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বাড্ডা থানার পুলিশ। এ সময়ে তাদের কাছ থেকে প্রতরণার কাজে ব্যবহৃত একটি পিক্যাভ ভ্যান, একটি প্রাইভেট কার, এক হাজার টাকার ৫৮টি নোট, ১০০ টাকার ৩২৬টি নোট, ৫০ টাকার ৯০ টি নোট, ১০ টাকার ৪৭৮টি নোটসহ মোট এক লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং টাকা মোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত তিন প্যাকেট ইলাস্টিক উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার রাতে বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. পারভেজ ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা থানার একটি চৌকশ দল আফতাবনগর পশুরহাট থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদের গ্রেপ্তার করে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাড্ডার আফতারনগর পশুর হাটে অভিনব কায়দায় এক গরুর ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা দামের একটি গরু হাতিয়ে নেয় এক দুর্ধর্ষ প্রতারক চক্রটি। সংঘবদ্ধ এই প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন গরুর হাটে সাধারণ ও সহজসরল গরুর ব্যবসায়ীদের সাথে প্রতরণা করে আসছে। তারা গরুর বেপারীদের কাছ থেকে গরু কেনার জন্য দামদর চূড়ান্ত করে। পরে এই চক্রের সদস্যরা ৫, ১০, ৫০, ১০০ টাকার পুরাতন টাকার বান্ডিলের উপরে ও নিচে ৫০০ ও এক হাজার টাকার নোট দিয়ে বান্ডিল তৈরি করে। এই চক্রটিতে ৩০-৪০ জনের সদস্যরা একযোগে কাজ করে থাকে। চক্রটি অতি সুকৌশলে গরুর বেপারীর গরু তাদের ব্যবহৃত পিক্যাপভানে তুলে নেয়। পরে টাকা গণনার অভিনয় করে ১০ টাকার নোটের বান্ডিলের উপরে ও নিচে এক হাজার টাকার দুইটি নোট দিয়ে এক লাখ টাকা হিসেবে গরু বেপারীদের বুঝিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই প্রতারক চক্রটি বিগত দুইদিন প্রায় আটটি গরু নিয়ে তাদের অভিনব কায়দায় প্রতারণা করে এক হাট থেকে অন্য হাটে নিয়ে বিক্রি করেছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

Sharing is caring!