Sharing is caring!

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ  
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ক্লোজারে বেড়াতে এসে নদীতে জোয়ারের পানিতে ডুবে গিয়ে নিখোঁজ আনোয়ার ও মেহেদীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এরআগে নিখোঁজ তিন জনের মধ্যে নজরুল ইসলাম স্বপন নামের একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই।
রবিবার সকাল ৭টা ও সাড়ে ১০টার দিকে ছোট ফেনী নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশ দু’টি উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন। নিহতরা হচ্ছেন, ফেনী জেলার দাগনভুইয়া উপজেলার দেবরামপুর গ্রামের জয়নাল আবদীনের ছেলে নজরুল ইসলাম স্বপন, একই গ্রামের হাবিব উল্যাহর ছেলে ওমান প্রবাসী আনোয়ার হোসেন ও শাহ আলমের ছেলে মেহেদী হাসান।
জানা গেছে, দেবরামপুর গ্রামের ২৫-২৬জনের একটি দল শনিবার সকালে মুছাপুর ক্লোজারে বেড়াতে আসে। এদের মধ্যে ৭জন শখেরবসত ছোট ফেনী নদীতে জাল দিয়ে মাছ শিকার করতে নামে। হঠাৎ নদীতে ভাটার পর জোয়ার আসলে প্রচন্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে তারা। এসময় ৭জনের মধ্যে ৪জন সাতার কেটে তীরে উঠে আসলেও বাকি ৩জন নিখোঁজ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দল ও স্থানীয়রা শনিবার বিকালে নিখোঁজদের মধ্যে নজরুল ইসলাম স্বপনের লাশ উদ্ধার করলেও আনোয়ার ও মেহেদী নিখোঁজ ছিল। পরবর্তীতে রবিবার সকালে ছোট ফেনী নদীর পৃথক স্থান থেকে ভাসমান অবস্থায় নিখোঁজ দু’জনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফজলুল কাদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিখোঁজ তিন পর্যটকের মধ্যে একজনের লাশ শনিবার ও অপর দুই জনের লাশ রবিবার সকালে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় আর কোন ব্যক্তি নিখোঁজ নেই।
প্রসঙ্গত; অনুনোমদিত কথিত মুছাপুর ক্লোজার নামে পর্যটন কেন্দ্রে ২০১৬ সালের ১৭ আগস্ট বিকেলে নৌকাডুবিতে মাদ্রাসার ছাত্রীসহ চারজনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। এরপর ওই এলাকায় লোকজনের যাতায়াত নিষিদ্ধ থাকলেও সম্প্রতি লকডাউন খোলার পর পর অর্থনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য তা আবারও চালু করে দেয় স্থানীয় অসাধু কয়েক অর্থলোলুপ ব্যাক্তি।

Sharing is caring!