Sharing is caring!

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাদরা ইউনিয়নে করোনা উপসর্গ নিয়ে কবির আহম্মদ (৩২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় তার বাড়ীটি লাকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এনিয়ে গত ৭দিনে জেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৮জন।
বৃহস্পতিবার সকালে মৃত কবির আহম্মদের বাড়ীটি লকডাউন ঘোষণা করেন সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম মজুমদার। তিনি বলেন, মৃত ব্যক্তির করোনা উপসর্গ থাকায় তিনিসহ তার মা, স্ত্রী ও মেয়ের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বাড়ীটির ৭টি পরিবারের ২৬জন সদস্যকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৃত ব্যক্তির করোনা ছিলো কি না নমুনা রিপোর্ট আসলে জানা যাবে।
জানা গেছে, সেনবাগ উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের উত্তর জামালপুর গ্রামের আজিজ মৌলভী বাড়ীর জালাল আহম্মদের ছেলে কবির আহম্মদ গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। ৬মে বুধবার বিকেলে তার পরিবারের লোকজন মমূর্ষ অবস্থায় তাকে প্রথমে ফেনীর একটি হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম নেওয়ার পথে সন্ধ্যা ৭টা দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত কবির আহম্মদ চট্টগ্রামে জুতার কারখানায় চাকরি করতেন এবং গত দেড় মাস আগে বাড়ীতে এসেছিলেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ, গত ৬মে সন্ধ্যা ৬টার দিকে মারা গেছেন বেগমগঞ্জের মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বেচুর দোকান এলাকার এড. ফারুকের বাসার ভাড়াটিয়া তারেক হোসেন (৩০)। তার বাড়ী সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের পতিশ গ্রামে। গত ৫মে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মারা গেছেন চৌমুহনী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইমাম হোসেন (৬০), একইদিন দুপুর ১২টার দিকে মারা গেছেন সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে চিলাদি গ্রামের সোহেল (২৫), ৪মে সোমবার দুপুরে মারা গেছেন সুবর্ণচর উপজেলার উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামে রেশমা আক্তার (৪০) নামের এক গৃহবধূ। ৩মে রবিবার রাতে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইউসুফ (৩২) নামের চৌমুহনীর এক বাসিন্দা। ৩মে রবিবার সকালে সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নে নানার বাড়িতে মারা গেছেন মাদ্রাসা ছাত্রী সামিয়া আক্তার (১৩)। তার বাড়ী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার লাউতলি গ্রামে। গত ৩০এপ্রিল বুধবার সকালে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নোয়াখালীর সদর উপজেলার করমুল্যা এলাকার বাসিন্দা রোকসানা আক্তার (১৭)।

Sharing is caring!