Sharing is caring!

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

“কৃষক বাঁচলে বাঁবে দেশ” স্লোগানকে সামনে রেখে নোয়াখালী সুবর্ণচরে গ্রামের পরিবারগুলোর অধিকাংশই কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। অন্যদিকে এখন ঝড়-বন্যার পূর্বাভাসও রয়েছে। দেশে বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে শ্রমিকের সংকট থাকায় ধান কাটতে বেশ সমস্যায় পড়ে যান কৃষকেরা।

কৃষকদের সমস্যার খবর পেয়ে সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী আবদুল্যাহ আল মামুদ জাবেদের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা কৃষকদের জমির পাকা ধান কেটে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। পরে নেতা-কর্মীরা (বৃহস্পতিবার ৭ মে) সকাল ৮ টায় সুবর্ণচর উপজেলার চর জুবিলী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কৃষক জসিম উদ্দিনের ১ একর এবং অন্যান্য কৃষকের প্রায় ২ একর সহ মোট তিন একর জমির ধান কেটে কৃষকের বাড়িতে পৌঁছে দিতে সাহায্য করেন। একেক দিন একেক জন ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে টানা ১৪ দিন ধরে বিভিন্ন ইউনিয়নে ধান কাটছেন তারা।

জাবেদ মামুনের নেতৃত্বে ধান কাটায় অংশ নেন, সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক আমির খসরু মাহমুদ, চরজব্বার ডিগ্রী কলেজের সাবেক সভাপতি নুর হোসেন পারভেজ, উপজেলা ছাত্রলীগ সদস্য রাসেদ, চরজুবিলী ১ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি বেলাল, সাধারন সম্পাদক মাসুদ ওরপে পিচ্চি মাসুদ, চরজব্বার ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত, ছাত্রলীগ নেতা, বাবলু, সজিব, রাকিব, জয়, নিশান, রাজু, বাপ্পি, ছায়েদ, সুমন, ফাহাদ, রাব্বুল, অলি হোসেন, অন্তরসহ ছাত্রলীগের প্রায় ৪০জন নেতা কর্মি ধান কাটায় অংশ গ্রহন করেন।

সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি পদপ্রার্থী আবদুল্যাহ আল মামুন জাবেদ বলেন, “আমাদের প্রিয় নেত্রী বঙ্গকণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা এবং নোয়াখালী ৪ সংসদসদস্য একরামুল করিম চৌধুরী এমপির পরামর্শে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে সুবর্ণচরে বিনামূল্য অসহায় কৃষকের ধান কেটে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, আজ ধান কাটার ১৪ তম দিন দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে, দেশের যে কোন দূর্যোগপূর্ণ মুহুর্তে অতীতের মত ছাত্রলীগ সর্বদা প্রসস্ত থাকবে আজকে আমাদের নেতা কর্মিরা রোজা রেখে ধান কাটতে চলে এসেছে আমি এসকল নেত্রীবৃন্দকে অভিনন্দন জানাই, কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, আমরা সব মসময় কৃষকদের পাশে আছি”।

ছাত্রলীগের এমন মহৎ উদ্যােগে কৃষক জসিম উদ্দিন বলেন “ দিনমজুর না পেয়ে দির্ঘদিন ধরে পাকা ধান নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম, অবশেষে ছাত্রলীগ নেতা জাবেদকে বিষয়টি জানানোর পর রোজার দিনেও ছাত্রলীগ আমাদের ধান কেটে বাড়ীতে পৌঁছে দিয়েছে। আমাদের দূর্দিনে ছাত্রলীগ পাশে দাঁড়িয়েছে বলে আমাদের কস্টের ফসল ঘরে তুলতে পারছি” তারা ছাত্রলীগ কর্মিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

Sharing is caring!