Sharing is caring!

ফাইল ছবি

বিএনপির জন্ম ক্যান্টনমেন্টে। আওয়ামী লীগ সরকারের জন্ম খাল, বিল ও ঝিলে। আওয়ামী লীগ মানে আন্দোলন, বিকাশ ও পরিবর্তন। আমাদের শিখর অনেক গভীরে। ফলে আমাদের সঙ্গে ফাইট করা কঠিন হবে। রাজনীতির খেলায় শেখ হাসিনা ফার্স্ট বলেছেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান। দুর্নীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, চুরি কিছু হচ্ছে। কিন্তু সেটি চিল্লাচিলি করে থামানো যাবে না। এতে চোরের কিছুই হবে না। এর জন্য আইন আছে। আইনের মাধ্যমে ধরতে হবে। সোমবার এলডিসি উত্তরণ নিয়ে জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে সংলাপের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

মন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারি মোকাবেলায় জীবন ও জীবিকার মেল বন্ধন ঘটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সিলেকটিভ লকডাউন দিয়েছেন। পোশাক শ্রমিক, ধান কাটা শ্রমিক এবং অন্যান্য শ্রমিকদের জন্য লকডাউন ছিল না। সেই সঙ্গে অর্থনীতি সচল রাখতে সোয়া লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছেন। এখানে কিছু চুরি চামারি, মিসিং এবং মিস ফায়ার হলেও প্রণোদনা কাজে লেগেছে বলে মন্তব্য করে তিনি। তিনি বলেন, দেশের সব শ্রেণির মানুষের কঠোর পরিশ্রমে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মাথাপিছু আয় বাড়ছে। এভাবেই এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সফল হব। তিনি আরও বলেন, সুশাসন আকর্ষণীয় কথা হলেও ভাত আগে না কফি আগে- সেই অবস্থা হয়েছে। ক্ষুধার্থ মানুষের প্রয়োজনে ভাত আগে দিতে হবে। তেমনি তর্কবিতর্ক হয়- উন্নয়ন আগে, না গণতন্ত্র আগে। বিএনপি সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদকে কার্যকর করেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সারা দেশে ইউপি নির্বাচন চলছে। অত্যন্ত আনন্দমুখর ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিএনপি প্রথমে বলল নির্বাচন করব না। এখন তাদের লোকজন বেনামে নির্বাচন করছে। এতে কোনো বাধা নেই। পরিষ্কার গণতন্ত্র চাইলে চর্চা করতে হবে। মাঠ ছেড়ে গেলে চলবে না। খেলার জন্য মাঠে নামতে হয়। গ্যালারিতে বসে খেলা যাবে না। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় স্ট্যান্ডডিং কমিটির সদস্য ও সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নও সমাজের মধ্য ভারসাম্য নেই। মাথা পিছু আয় বাড়লেও লাভ নেই। যদি আয়ের সমবন্টন না হয়। দেশে ধনী গরিবের বৈষম্য বাড়ছে। মেধাবী তরুণরা দেশে থাকতে চায়না। সুযোগের অভাবে তারা এখানে মেধা চর্চা করতে পারেন না। ব্যাপক দুর্নীতি ও জবাবদিহির অভাব প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। অনেকে টাকা তৈরির মেশিনে পরিণত হয়েছেন। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দেশে এসে ক্লান্ত হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। গণতন্ত্র না থাকায় সুশাসন হচ্ছে না। দেশে কাগুজে শান্তি বিরাজ করছে। মেগা প্রকল্প হচ্ছে ভালো কথা। কিন্তু এগুলোর ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্স ভালো হচ্ছে।

Sharing is caring!