ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শতাধিক পরিবার পেল উতাস’র ঈদ উপহার ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল তরুণীর সাথে ভিডিও ভাইরাল, হাতিয়ার সেই ইউএনও ওএসডি চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার কাভার্ডভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক হাতিয়ার ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ’সহ দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

কতটুকু মহাবিশ্বের সীমা?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪ ৭৭৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:

 

বিজ্ঞানীদের মতে বিগ ব্যাং অর্থাৎ অত্যান্ত ঘন বস্তু থেকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে। যা এখন পর্যন্ত সম্প্রসারণ হয়েই চলেছে। অর্থাৎ মহাবিশ্বের কোনো সীমা নেই।

 

আমাদের মহাবিশ্ব এতটাই বিস্তৃত যে কোনো মানব মগজের পক্ষে তা কল্পনা করা সত্যিকার অর্থেই অসম্ভব! কঠিনভাবে বুঝতে চাইলে পড়া চালিয়ে যেতে পারেন।

আমরা যে ছোট্ট পাথুরে গ্রহটাতে বাস করি তার নাম পৃথিবী (ছোট্ট বলাতে রাগ কইরেন না যেন)। পৃথিবীসহ আরো ৭টি গ্রহ এবং তাদের উপগ্রহসমূহ, এস্ট্রয়েড বেল্ট, ধূমকেতু, উল্কা এরা সবাই সূর্য নামে একটি নক্ষত্রের চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে। এই সূর্য পৃথিবী থেকে ১৩ লাখ গুণ বড়। এটাকেই আমরা মোটামুটিভাবে সৌরজগত বলে থাকি।

 

আমাদের সৌরজগতটি আবার মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির একটি ক্ষুদ্র সদস্য। আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে সূর্যের মতো অথবা সূর্যের চেয়েও অনেকগুন বড় অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। মোট কতটি নক্ষত্র রয়েছে আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে??? উত্তরটা দিতে চাইলে বলতে হবে, একটা বড় আকারের বালুভর্তি ট্রাকে যে কয়টি বালুকণা বিদ্যমান ঠিক ততটি নক্ষত্র বা সৌরজগত রয়েছে আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে (প্রায় ৪০০ বিলিয়ন)।

 

বিজ্ঞানীরা মাল্টিভার্স তত্ত্বের কথা বলেছেন যেখানে বলা হয় আমাদের ইউনিভার্সের মতোই অসংখ্য ইউনিভার্স রয়েছে। আবার প্যারালাল ইউনিভার্সের কথাও চিন্তা করা যায়। এছাড়াও কসমিক ইনফ্লেশন থিওরি (আমি এটা বুঝি নাই) অনুযায়ী পুরো মহাবিশ্ব আমাদের অবজার্ভেবল ইউনিভার্সের তুলনায় ১৫০ সেক্সটিলিয়ন গুণ বড়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

কতটুকু মহাবিশ্বের সীমা?

আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক:

 

বিজ্ঞানীদের মতে বিগ ব্যাং অর্থাৎ অত্যান্ত ঘন বস্তু থেকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে। যা এখন পর্যন্ত সম্প্রসারণ হয়েই চলেছে। অর্থাৎ মহাবিশ্বের কোনো সীমা নেই।

 

আমাদের মহাবিশ্ব এতটাই বিস্তৃত যে কোনো মানব মগজের পক্ষে তা কল্পনা করা সত্যিকার অর্থেই অসম্ভব! কঠিনভাবে বুঝতে চাইলে পড়া চালিয়ে যেতে পারেন।

আমরা যে ছোট্ট পাথুরে গ্রহটাতে বাস করি তার নাম পৃথিবী (ছোট্ট বলাতে রাগ কইরেন না যেন)। পৃথিবীসহ আরো ৭টি গ্রহ এবং তাদের উপগ্রহসমূহ, এস্ট্রয়েড বেল্ট, ধূমকেতু, উল্কা এরা সবাই সূর্য নামে একটি নক্ষত্রের চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে। এই সূর্য পৃথিবী থেকে ১৩ লাখ গুণ বড়। এটাকেই আমরা মোটামুটিভাবে সৌরজগত বলে থাকি।

 

আমাদের সৌরজগতটি আবার মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির একটি ক্ষুদ্র সদস্য। আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে সূর্যের মতো অথবা সূর্যের চেয়েও অনেকগুন বড় অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। মোট কতটি নক্ষত্র রয়েছে আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে??? উত্তরটা দিতে চাইলে বলতে হবে, একটা বড় আকারের বালুভর্তি ট্রাকে যে কয়টি বালুকণা বিদ্যমান ঠিক ততটি নক্ষত্র বা সৌরজগত রয়েছে আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে (প্রায় ৪০০ বিলিয়ন)।

 

বিজ্ঞানীরা মাল্টিভার্স তত্ত্বের কথা বলেছেন যেখানে বলা হয় আমাদের ইউনিভার্সের মতোই অসংখ্য ইউনিভার্স রয়েছে। আবার প্যারালাল ইউনিভার্সের কথাও চিন্তা করা যায়। এছাড়াও কসমিক ইনফ্লেশন থিওরি (আমি এটা বুঝি নাই) অনুযায়ী পুরো মহাবিশ্ব আমাদের অবজার্ভেবল ইউনিভার্সের তুলনায় ১৫০ সেক্সটিলিয়ন গুণ বড়।