ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
১৬২২২ নয়, এবারের এইচএসসির ফল জানা যাবে যে নম্বরে ঘরের মধ্যে বজ্রপাতে পাবনার সোনাপাতি বিলে ৬ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ২৬২ ডিভি লটারি নিয়ে শেষমুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সিদ্ধান্ত নোবিপ্রবিতে পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্পেইন ও ট্যুরিজম লুডু প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ডিবি পুলিশের অভিযান: দেশীয় বন্দুকসহ অস্ত্র তৈরির কারিগর গ্রেপ্তার কমিটি অনুমোদনের ৪ ঘণ্টার মাথায় নোয়াখালীতে এনসিপি নেতার পদত্যাগ ইঞ্জিন বিকল হয়ে কর্ণফুলী নদীতে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ হাতিয়ার দুই জেলে কোম্পানীগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণেই দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আটক ৫ হাতিয়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে এমপিওভুক্তির আশ্বাসে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

কতটুকু মহাবিশ্বের সীমা?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪ ১১৭৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:

 

বিজ্ঞানীদের মতে বিগ ব্যাং অর্থাৎ অত্যান্ত ঘন বস্তু থেকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে। যা এখন পর্যন্ত সম্প্রসারণ হয়েই চলেছে। অর্থাৎ মহাবিশ্বের কোনো সীমা নেই।

 

আমাদের মহাবিশ্ব এতটাই বিস্তৃত যে কোনো মানব মগজের পক্ষে তা কল্পনা করা সত্যিকার অর্থেই অসম্ভব! কঠিনভাবে বুঝতে চাইলে পড়া চালিয়ে যেতে পারেন।

আমরা যে ছোট্ট পাথুরে গ্রহটাতে বাস করি তার নাম পৃথিবী (ছোট্ট বলাতে রাগ কইরেন না যেন)। পৃথিবীসহ আরো ৭টি গ্রহ এবং তাদের উপগ্রহসমূহ, এস্ট্রয়েড বেল্ট, ধূমকেতু, উল্কা এরা সবাই সূর্য নামে একটি নক্ষত্রের চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে। এই সূর্য পৃথিবী থেকে ১৩ লাখ গুণ বড়। এটাকেই আমরা মোটামুটিভাবে সৌরজগত বলে থাকি।

 

আমাদের সৌরজগতটি আবার মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির একটি ক্ষুদ্র সদস্য। আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে সূর্যের মতো অথবা সূর্যের চেয়েও অনেকগুন বড় অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। মোট কতটি নক্ষত্র রয়েছে আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে??? উত্তরটা দিতে চাইলে বলতে হবে, একটা বড় আকারের বালুভর্তি ট্রাকে যে কয়টি বালুকণা বিদ্যমান ঠিক ততটি নক্ষত্র বা সৌরজগত রয়েছে আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে (প্রায় ৪০০ বিলিয়ন)।

 

বিজ্ঞানীরা মাল্টিভার্স তত্ত্বের কথা বলেছেন যেখানে বলা হয় আমাদের ইউনিভার্সের মতোই অসংখ্য ইউনিভার্স রয়েছে। আবার প্যারালাল ইউনিভার্সের কথাও চিন্তা করা যায়। এছাড়াও কসমিক ইনফ্লেশন থিওরি (আমি এটা বুঝি নাই) অনুযায়ী পুরো মহাবিশ্ব আমাদের অবজার্ভেবল ইউনিভার্সের তুলনায় ১৫০ সেক্সটিলিয়ন গুণ বড়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

কতটুকু মহাবিশ্বের সীমা?

আপডেট সময় : ০৮:১৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক:

 

বিজ্ঞানীদের মতে বিগ ব্যাং অর্থাৎ অত্যান্ত ঘন বস্তু থেকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে। যা এখন পর্যন্ত সম্প্রসারণ হয়েই চলেছে। অর্থাৎ মহাবিশ্বের কোনো সীমা নেই।

 

আমাদের মহাবিশ্ব এতটাই বিস্তৃত যে কোনো মানব মগজের পক্ষে তা কল্পনা করা সত্যিকার অর্থেই অসম্ভব! কঠিনভাবে বুঝতে চাইলে পড়া চালিয়ে যেতে পারেন।

আমরা যে ছোট্ট পাথুরে গ্রহটাতে বাস করি তার নাম পৃথিবী (ছোট্ট বলাতে রাগ কইরেন না যেন)। পৃথিবীসহ আরো ৭টি গ্রহ এবং তাদের উপগ্রহসমূহ, এস্ট্রয়েড বেল্ট, ধূমকেতু, উল্কা এরা সবাই সূর্য নামে একটি নক্ষত্রের চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে। এই সূর্য পৃথিবী থেকে ১৩ লাখ গুণ বড়। এটাকেই আমরা মোটামুটিভাবে সৌরজগত বলে থাকি।

 

আমাদের সৌরজগতটি আবার মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির একটি ক্ষুদ্র সদস্য। আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে সূর্যের মতো অথবা সূর্যের চেয়েও অনেকগুন বড় অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। মোট কতটি নক্ষত্র রয়েছে আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে??? উত্তরটা দিতে চাইলে বলতে হবে, একটা বড় আকারের বালুভর্তি ট্রাকে যে কয়টি বালুকণা বিদ্যমান ঠিক ততটি নক্ষত্র বা সৌরজগত রয়েছে আমাদের এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে (প্রায় ৪০০ বিলিয়ন)।

 

বিজ্ঞানীরা মাল্টিভার্স তত্ত্বের কথা বলেছেন যেখানে বলা হয় আমাদের ইউনিভার্সের মতোই অসংখ্য ইউনিভার্স রয়েছে। আবার প্যারালাল ইউনিভার্সের কথাও চিন্তা করা যায়। এছাড়াও কসমিক ইনফ্লেশন থিওরি (আমি এটা বুঝি নাই) অনুযায়ী পুরো মহাবিশ্ব আমাদের অবজার্ভেবল ইউনিভার্সের তুলনায় ১৫০ সেক্সটিলিয়ন গুণ বড়।