ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কিশোরগ্যাং বিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে আরো ১৪৫ আটক ঘুমন্ত সাবেক স্বামীকে ছু/রিকা-ঘাতে হ-ত্যা, স্ত্রী-শাশুড়ি আটক প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কি/শো/রী/কে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১০৪ জয়পুরহাটে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ত্রিশাল নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সভাপতি ড. রফিক ও সম্পাদক মোখলেছ দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে আটক ১১০৬ কবিরহাটে সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ নতুন কূপে খনন শেষে মিলেছে গ্যাস, জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন যুক্ত হবে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

গৃহবধূ হত্যা: নোয়াখালীতে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২ ৭৫৬৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর বেগমঞ্জে গৃহবধূ বিবি ফাতেমা পলি (৩৭) হত্যার দায়ে তার স্বামী মঈন উদ্দিনের (৪২) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

দণ্ড -প্রাপ্ত মঈন উদ্দিন বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের কাজী বাড়ির গোলাপ রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি পলাতক আছেন।

 

রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে নোয়াখালী স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় প্রদান করেন।

 

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গৃহবধূ বিবি ফাতেমা পলি একটি বেসরকারি কোম্পানীতে চাকরি করতেন। বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় কিছু বখাটেরা ধর্ষণ করার চেষ্টা করলে ভুক্তভোগী তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা থেকে রেহাই পেতে কৌশলে মঈন উদ্দিন ভুক্তভোগী বিবি ফাতেমাকে বিবাহ করেন। বিয়ের পর মাত্র ১ দিন স্বামীর বাড়িতে ছিলেন। বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে ৩১ আগস্ট তাকে হত্যা করে ড্রেনে ফেলে রাখে। মেয়ে বাড়িতে না ফেরায় ফাতেমার বাবা ইব্রাহিম মিয়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ২ নভেম্বর ইব্রাহিম মিয়া জানতে পারেন তার মেয়ের লাশ ভেসে উঠেছে। ঘটনার পরদিন নিহতের পিতা ইব্রাহিম মিয়া বাদী হয়ে স্বামী মঈন উদ্দিনসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ মামলায় আজ রায় ঘোষণা করেন।

 

আদালতের স্টেনোগ্রাফার চন্দন কুমার মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি ১৬৪ ধারায় আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় আদালত শুনানি শেষে স্বামী মঈন উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়াও বাকী আসামিদের খালাস দেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

গৃহবধূ হত্যা: নোয়াখালীতে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:০৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

নোয়াখালীর বেগমঞ্জে গৃহবধূ বিবি ফাতেমা পলি (৩৭) হত্যার দায়ে তার স্বামী মঈন উদ্দিনের (৪২) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

দণ্ড -প্রাপ্ত মঈন উদ্দিন বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের কাজী বাড়ির গোলাপ রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি পলাতক আছেন।

 

রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে নোয়াখালী স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় প্রদান করেন।

 

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গৃহবধূ বিবি ফাতেমা পলি একটি বেসরকারি কোম্পানীতে চাকরি করতেন। বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় কিছু বখাটেরা ধর্ষণ করার চেষ্টা করলে ভুক্তভোগী তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা থেকে রেহাই পেতে কৌশলে মঈন উদ্দিন ভুক্তভোগী বিবি ফাতেমাকে বিবাহ করেন। বিয়ের পর মাত্র ১ দিন স্বামীর বাড়িতে ছিলেন। বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে ৩১ আগস্ট তাকে হত্যা করে ড্রেনে ফেলে রাখে। মেয়ে বাড়িতে না ফেরায় ফাতেমার বাবা ইব্রাহিম মিয়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ২ নভেম্বর ইব্রাহিম মিয়া জানতে পারেন তার মেয়ের লাশ ভেসে উঠেছে। ঘটনার পরদিন নিহতের পিতা ইব্রাহিম মিয়া বাদী হয়ে স্বামী মঈন উদ্দিনসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ মামলায় আজ রায় ঘোষণা করেন।

 

আদালতের স্টেনোগ্রাফার চন্দন কুমার মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি ১৬৪ ধারায় আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় আদালত শুনানি শেষে স্বামী মঈন উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়াও বাকী আসামিদের খালাস দেওয়া হয়।