ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে যৌথ অভিযানে ৪ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার পানিতে ডুবে দুর্ঘটনা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জয়পুরহাটে সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন জয়পুরহাটে মোটরসাইকেল-অটোরিকশার সংঘর্ষে যুবক নিহত জয়পুরহাটে কিডনি বিক্রি করেও বদলেনি ভাগ্য! ট্রান্সফরমার চুরি মামলায় গ্রেপ্তার শামছুল ইসলাম নোয়াখালীতে চো’র আখ্যা দিয়ে প্র/তিব/ন্ধী যুব’ককে পি/টি/য়ে হ/ত্যা, আটক-৪ কিশোরগ্যাং বিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে আরো ১৪৫ আটক ঘুমন্ত সাবেক স্বামীকে ছু/রিকা-ঘাতে হ-ত্যা, স্ত্রী-শাশুড়ি আটক প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কি/শো/রী/কে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১০৪

গণপূর্তের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা, অভিযানে উদ্ধার শত কোটি টাকার সম্পদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩ ২০৮ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

অবশেষে নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর আলোচিত নোয়াখালী সুপার মার্কেট সংলগ্ন গণপূর্তের শতকোটি টাকার ৬৫ শতক জায়গা দখলমুক্ত করেছেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দেব্রত দাশ ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজুর রহমান এ অভিযান পরিচালনা করেন। দুই ঘন্টাব্যাপী এ অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাদ মোহাম্মদ আন্দালিব ও সুধারাম মডেল থানার একদল পুলিশ।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হকার্স মার্কেটের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের নামে জেলা প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে গণপূর্ত বিভাগের শতকোটি টাকার সরকারি জায়গায় নোয়াখালী ক্ষুদ্র হকার্স সমবায় সমিতি লিমেটেডের সভাপতি একরাম উল্যাহ ডিপটির তদারকিতে মার্কেট নির্মাণের কাজ চালানো হয়। খবর পেয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্ত জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর তারা পুনরায় কাজ শুরু করে। এরপর জেলা প্রশাসন মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালিয়ে এ জায়গা দখলমুক্ত করেন।

 

নোয়াখালী ক্ষুদ্র হকার্স সমবায় সমিতি লিমেটেডের সভাপতি একরাম উল্যাহ ডিপটি বলেন, আমার কোন কথা নেই। আমি তদারকি করেছি সত্য। প্রেসক্লাবে বসে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ পিন্টু ভাই সকল সাংবাদিককে বিষয়টি অবহিত করেছে। এটা নিয়ে আপনি চেয়ারম্যান আর মেয়রের সাথে কথা বলেন।

 

নোয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু বলেন, আমরা প্রেসক্লাবে সবার সাথে বসেছি। এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এটা কোনো জবর দখল নয়। এটা গণপূর্তও দেয়নি, জেলা প্রশাসনও দেয়নি। তারা আপাতত কয়েক মাসের জন্য সেখানে ব্যবসাটা করবে। তারপর তারা আবার তাদের নিজের জায়গায় চলে যাবে।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, জায়গা আমাদের দখলেই ছিল। অবৈধ ঘর গুলো উচ্ছেদ করে দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক

গণপূর্তের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা, অভিযানে উদ্ধার শত কোটি টাকার সম্পদ

আপডেট সময় : ০২:৪০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

 

অবশেষে নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর আলোচিত নোয়াখালী সুপার মার্কেট সংলগ্ন গণপূর্তের শতকোটি টাকার ৬৫ শতক জায়গা দখলমুক্ত করেছেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দেব্রত দাশ ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজুর রহমান এ অভিযান পরিচালনা করেন। দুই ঘন্টাব্যাপী এ অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাদ মোহাম্মদ আন্দালিব ও সুধারাম মডেল থানার একদল পুলিশ।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হকার্স মার্কেটের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের নামে জেলা প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে গণপূর্ত বিভাগের শতকোটি টাকার সরকারি জায়গায় নোয়াখালী ক্ষুদ্র হকার্স সমবায় সমিতি লিমেটেডের সভাপতি একরাম উল্যাহ ডিপটির তদারকিতে মার্কেট নির্মাণের কাজ চালানো হয়। খবর পেয়ে গত ১১ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। কিন্ত জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর তারা পুনরায় কাজ শুরু করে। এরপর জেলা প্রশাসন মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালিয়ে এ জায়গা দখলমুক্ত করেন।

 

নোয়াখালী ক্ষুদ্র হকার্স সমবায় সমিতি লিমেটেডের সভাপতি একরাম উল্যাহ ডিপটি বলেন, আমার কোন কথা নেই। আমি তদারকি করেছি সত্য। প্রেসক্লাবে বসে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ পিন্টু ভাই সকল সাংবাদিককে বিষয়টি অবহিত করেছে। এটা নিয়ে আপনি চেয়ারম্যান আর মেয়রের সাথে কথা বলেন।

 

নোয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু বলেন, আমরা প্রেসক্লাবে সবার সাথে বসেছি। এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এটা কোনো জবর দখল নয়। এটা গণপূর্তও দেয়নি, জেলা প্রশাসনও দেয়নি। তারা আপাতত কয়েক মাসের জন্য সেখানে ব্যবসাটা করবে। তারপর তারা আবার তাদের নিজের জায়গায় চলে যাবে।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, জায়গা আমাদের দখলেই ছিল। অবৈধ ঘর গুলো উচ্ছেদ করে দেওয়া হয়েছে।