ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শতাধিক পরিবার পেল উতাস’র ঈদ উপহার ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল তরুণীর সাথে ভিডিও ভাইরাল, হাতিয়ার সেই ইউএনও ওএসডি চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার কাভার্ডভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক হাতিয়ার ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ’সহ দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে ‘ওমিক্রন’: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১ ২৮১৭ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেছেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমায় আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে করোনার দক্ষিণ আফ্রিকান নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’। আজ রোববার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি সবাইকে সর্তক থাকার আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশে এখন করোনা সংক্রমণের হার ২ শতাংশের নিচে। এরপরও আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো কারণ নেই। কারণ ঘরের দরজায় বিপজ্জনক ধরন ‘ওমিক্রন’ কড়া নাড়ছে। এই মুহূর্তে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, মাস্ক পরতে হবে। এগুলো নিশ্চিত করতে পারলে ‘ওমিক্রন’ হোক বা অন্য কোনো ধরন হোক তা আমরা মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো। তিনি বলেন, ‘ওমিক্রন’ মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত আছি। এক্ষেত্রে কমিউনিটিতে আমাদের সবার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ অংশগ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে অন্যকে অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করা এবং সহায়তার মধ্য দিয়েই আমরা এ ভাইরাসটিকে শতভাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবো বলে মনে করি।

আফ্রিকান দেশগুলো থেকে যারা আসবে, তাদেরকেই প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন করতে হবে, বাকি দেশগুলোর বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কী ভাবছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আফ্রিকান দেশগুলোতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে বলেই তাদের জন্য বাড়তি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। অন্য যেকোনো দেশেও যদি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়, তাহলে তাদের বেলায়ও আমরা একইরকম সিদ্ধান্ত নেব। কারণ হলো কমিউনিটি ট্রান্সমিশন আর ইমপরট্যান্ট কেইস কিন্তু এক নয়। আফ্রিকায় যেটি হয়েছে সেটি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন, আর ইউরোপে যেটি হয়েছে সেটি ইমপরট্যান্ট কেইস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে ‘ওমিক্রন’: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

আপডেট সময় : ১০:৪২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেছেন, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমায় আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশের দরজায় কড়া নাড়ছে করোনার দক্ষিণ আফ্রিকান নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’। আজ রোববার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি সবাইকে সর্তক থাকার আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, দেশে এখন করোনা সংক্রমণের হার ২ শতাংশের নিচে। এরপরও আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো কারণ নেই। কারণ ঘরের দরজায় বিপজ্জনক ধরন ‘ওমিক্রন’ কড়া নাড়ছে। এই মুহূর্তে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, মাস্ক পরতে হবে। এগুলো নিশ্চিত করতে পারলে ‘ওমিক্রন’ হোক বা অন্য কোনো ধরন হোক তা আমরা মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো। তিনি বলেন, ‘ওমিক্রন’ মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত আছি। এক্ষেত্রে কমিউনিটিতে আমাদের সবার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ অংশগ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে অন্যকে অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করা এবং সহায়তার মধ্য দিয়েই আমরা এ ভাইরাসটিকে শতভাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবো বলে মনে করি।

আফ্রিকান দেশগুলো থেকে যারা আসবে, তাদেরকেই প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন করতে হবে, বাকি দেশগুলোর বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কী ভাবছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আফ্রিকান দেশগুলোতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে বলেই তাদের জন্য বাড়তি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। অন্য যেকোনো দেশেও যদি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়, তাহলে তাদের বেলায়ও আমরা একইরকম সিদ্ধান্ত নেব। কারণ হলো কমিউনিটি ট্রান্সমিশন আর ইমপরট্যান্ট কেইস কিন্তু এক নয়। আফ্রিকায় যেটি হয়েছে সেটি কমিউনিটি ট্রান্সমিশন, আর ইউরোপে যেটি হয়েছে সেটি ইমপরট্যান্ট কেইস।