Sharing is caring!

ফেনী প্রতিনিধি :

 

 

বসুরহাট বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে বসুরহাট বাস মালিক সমিতির নেত্ববৃন্দ ও মালিকদের নিরাপত্তা এবং ড্রীমলাইন বাস ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ড্রীমলাইন পরিবহনের পরিচালক শাহজাহান সাজু। মঙ্গলবার সকালে দাগনভূঞা মনপুরা কাবাব হাউজ এন্ড রেষ্টুরেন্ট এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে ড্রীমলাইন পরিবহনে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করা না হলে মালিক শ্রমিকেরা অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট ডাকার হুশিয়ারি দিয়েছে। একই সঙ্গে দাগনভূঞা উপজেলা একটি আন্তঃজেলা বাস টার্র্মিনাল স্থাপনের দাবি জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ড্রীমলাইন পরিবহনের পরিচালক শাহজাহান সাজু বলেন, বিগত ছয় মাস কোম্পানীগঞ্জের নোংরা রাজনীতি শিকার আমাদের পরিবহন সেক্টর। এতে বড় ধরণের লোকশানের মুখে পড়েছি আমারা বাস মালিক সমিতি। বসুরহাট পৌর মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার ডাকে হরতাল অবরোধ সহ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বসুরহাট আন্তঃজেলা বাস টার্মিনানের আওতাধীন বাস মালিকারা ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ার উপক্রম হয়েছে। চাঁদা না দেয়া মির্জার নির্দেশে গত ১৫ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে ঢাকা-বসুরহাটগামী ড্রীমলাইন পরিবহনের তিনটি গাড়ী ভাংচুর করে মির্জার ছোট ভাই শাহাদাত ও ছেলে তাসকিনের নেতৃত্বে একদল সস্ত্রাসী। এতে প্রায় এক কোটি টাকা ক্ষতি হয়। ভাংচুর করা পর মির্জার লালিত সন্ত্রাসীরা বাস মালিক ও শ্রমিকদের টার্মিনালে যেতে নিষেধ করেন। কোন মালিক বা শ্রমিক যদি টার্মিনালে যায় তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এমতাবস্থায় মালিক শ্রমিকরা নিরাপত্তাহীনতায় ভূগতেছেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয় ড্রীমলাইন পরিবহনে হামলাকারীদের দ্রæত গ্রেফতার করা না হলে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হবে বলেও হুশিয়ারি দেন পরিবহন নেতারা। এসময় বসুরহাট বাস মালিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ শহিদুল্লাহ খোকন, লাইন সম্পাদক সোলায়মান মিয়া, সদস্য ফারুক আহম্মদ, বসুরহাট শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারী মিজানুর রহমান প্রমূখ।

Sharing is caring!