Sharing is caring!

ডেস্ক রিপোর্ট::

বিনিয়োগকারী খরায় ভুগতে থাকা পুঁজিবাজারে গতকাল লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। আগের দিনের চেয়ে চার কোটি টাকা বেশি লেনদেন হয়ে দিন শেষে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৫ কোটি টাকা। গতকাল এ লেনদেন বৃদ্ধিতে চালকের আসনে ছিল স্কয়ার ফার্মা। ওষুধ খাতের এ একটি কোম্পানিই গতকাল লেনদেন বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করে।

গতকালের বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মৌলভিত্তি সম্পন্ন এ কোম্পানির প্রায় ২০ কোটি টাকার শেয়ার গতকাল ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছে। অর্থাৎ এ একটি কোম্পানির লেনদেন বাদ দিলে গতকাল মোট লেনদেন দাঁড়ায় ৪৫ কোটি। অন্যদিকে গতকাল ব্লক মার্কেটে আরও ১৫টি প্রতিষ্ঠানের আর ৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হতে দেখা যায়। এ লেনদেন বাদ দিলে মূল মার্কেটের লেনদেন নেমে আসে ৩৬ কোটি টাকায়। অর্থাৎ এ হিসাবে মূল মার্কেটে আগের কার্য দিবসের চেয়ে লেনদেন কমে গেছে প্রায় ১১ কোটি টাকা। আগের কার্যদিবসে মোট ৬২ কোটি টাকার মধ্যে মূল মার্কেটে লেনদেন ছিল ৪৭ কোটি টাকা।

এদিকে বেশকিছু দিন পর গতকাল কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়তে দেখা গেছে। যদিও এর সংখ্যা বেশি নয়। লেনদেন হওয়া কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের মধ্যে মাত্র ২০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়ে। এর মধ্যে বেশিরভাগই ছিল ওষুধ খাতের কোম্পানি।

এদিকে অন্যান্য কার্যদিবসের চেয়ে গতকাল হাউসগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি আরও কমে যায়। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে লকডাউন থাকায় বাজারে আসতে পারেনি তারা। হাউসগুলোতে যে লেনদেন হয়েছে তার ৯৫ শতাংশের বেশিই ছিল ফোনো এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে লেনদেন।

অন্যদিকে গতকালের লেনদেন চিত্রে একচাটিয়া আধিপত্য দেখা গেছে ওষুধ ও রসায়ন খাতের। মোট লেনদেনের প্রায় ৩৮ শতাংশই ছিল এ খাতের কোম্পানির। সারাদিনই বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের শীর্ষে ছিল এ খাতটি। ফলে দর বৃদ্ধি পাওয়া ২০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় এ খাতের কোম্পানিই ছিল সাতটি।

আগের কার্যদিবসের মতো গতকাল ব্যাংক খাতের শেয়ারেও আগ্রহ দেখা যায় বিনিয়োগকারীদের। করোনাকালীন বাজারে তুলনামূলকভাবে এ খাতের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল সন্তোষজনক। মোট লেনদেনে এ খাতের অবদান দেখা যায় ২৩ শতাংশ। অন্য কোনো খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের সেভাবে উপস্থিতি দেখা যায়নি।

এ দুই খাতের কোম্পানি ওপর নির্ভর করেই দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক বৃদ্ধি পায় দুই পয়েন্ট। দিনশেষে সূচক স্থির হয় তিন হাজার ৯৬০ পয়েন্টে।

এদিকে দিন যতই যাচ্ছে ফ্লোর প্রাইসের ওপর ততই বিরক্ত হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। তারা অনেকেই এ পদ্ধতি তুলে দেওয়ার কথা বলছেন। তবে ফ্লোর প্রাইস তুলে দিলে এ করোনাকালীন সময়ে বাজার পরিস্থিতি কী হতে পারে একবারও তা ভাবছেন না তারা।

Sharing is caring!