ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
কিশোরগ্যাং বিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে আরো ১৪৫ আটক ঘুমন্ত সাবেক স্বামীকে ছু/রিকা-ঘাতে হ-ত্যা, স্ত্রী-শাশুড়ি আটক প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কি/শো/রী/কে ধ-র্ষ-ণের অভিযোগ নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১০৪ জয়পুরহাটে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ত্রিশাল নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সভাপতি ড. রফিক ও সম্পাদক মোখলেছ দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে আটক ১১০৬ কবিরহাটে সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ নতুন কূপে খনন শেষে মিলেছে গ্যাস, জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন যুক্ত হবে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

বগলে দুর্গন্ধ কারণ খুঁজে বের করলেন বিজ্ঞানীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০ ১১৮৪৩ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:

বগলে দুর্গন্ধ তৈরির পিছনের রহস্যজনক প্রক্রিয়াটি উন্মোচন করেছেন ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক । শরীরে ও বগলে দুর্গন্ধের কারণে অনেকেই অস্বস্তিতে ভুগেন। নানা রকম সুগন্ধি ব্যবহার করে নিজেকে মুড়িয়ে রাখেন এই দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে।

ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাটির গবেষকদের মতে, মানবদেহের বগলে বাসকারী একটি নির্দিষ্ট ব্যাক্টেরিয়াতে থাকা নির্দিষ্ট একটি এনজাইম বগলে দুর্গন্ধের উৎস ।

এনজাইম এর সম্পৃক্ততা প্রমাণের জন্য গবেষকরা বগলের অন্য একটি মাইক্রোব এর উপর এই এনজাইম প্রয়োগ করেন এবং পর্যবেক্ষণ করে দেখেন যে সেটি থেকেও দুর্গন্ধ বের হওয়া শুরু করেছে।

ইতোপূর্বে ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একটি গবেষণায় বগলে দুর্গন্ধের জন্য এতে বসবাসকারী কিছু ব্যাক্টেরিয়াকে দায়ী করেছিলেন। কিন্তু, বর্তমান গবেষণার ফলে ব্যাক্টেরিয়ার একটি নির্দিষ্ট এনজাইমকে এর জন্য দায়ী করা হয়।

আমাদের দেহ প্রচুর ব্যাকটিরিয়ায় আচ্ছাদিত, তবে এর মধ্যে কয়েকটি মাত্র শরীরে দুর্গন্ধের জন্য দায়ী। ইউনিলিভার বিজ্ঞানীদের সহযোগিতায় এখন ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির গবেষকরা – একটি “বিও (BO) এনজাইম” আবিষ্কার করেছেন যা কেবলমাত্র গন্ধযুক্ত বগলের সাথে সংযুক্ত ব্যাকটিরিয়ার মধ্যে পাওয়া যায়।

আমরা প্রায়শই ব্যাকটেরিয়াকে অসুস্থতার কারণ হিসেবে দেখি তবে এই বিও- উৎপাদনকারী ব্যাকটিরিয়াগুলি আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক মাইক্রোবায়মেরই অংশ। যদিও মানবদেহে এই বিও এনজাইম সরাসরি প্রস্তুত হয় না। যখন বগলে ঘাম হয় ঘাম হয় তখন ব্যাকটেরিয়াগুলি থায়ো-অ্যালকোহল নামক বিও এনজাইম তৈরী করে যা দুর্গন্ধের জন্য দায়ী।

দুর্গন্ধের কারণ যখন জানা গিয়েছে তখন হয়ত খুব শীঘ্রই এর সমাধানও আমরা পেয়ে যেতে পারি।এ গবেষণার ফলে অধিক কার্যকর ডিওডোরেন্ট এবং অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট তৈরির পথ সুগম করবে নিঃসন্দেহে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

বগলে দুর্গন্ধ কারণ খুঁজে বের করলেন বিজ্ঞানীরা

আপডেট সময় : ০৯:০৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:

বগলে দুর্গন্ধ তৈরির পিছনের রহস্যজনক প্রক্রিয়াটি উন্মোচন করেছেন ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক । শরীরে ও বগলে দুর্গন্ধের কারণে অনেকেই অস্বস্তিতে ভুগেন। নানা রকম সুগন্ধি ব্যবহার করে নিজেকে মুড়িয়ে রাখেন এই দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে।

ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাটির গবেষকদের মতে, মানবদেহের বগলে বাসকারী একটি নির্দিষ্ট ব্যাক্টেরিয়াতে থাকা নির্দিষ্ট একটি এনজাইম বগলে দুর্গন্ধের উৎস ।

এনজাইম এর সম্পৃক্ততা প্রমাণের জন্য গবেষকরা বগলের অন্য একটি মাইক্রোব এর উপর এই এনজাইম প্রয়োগ করেন এবং পর্যবেক্ষণ করে দেখেন যে সেটি থেকেও দুর্গন্ধ বের হওয়া শুরু করেছে।

ইতোপূর্বে ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একটি গবেষণায় বগলে দুর্গন্ধের জন্য এতে বসবাসকারী কিছু ব্যাক্টেরিয়াকে দায়ী করেছিলেন। কিন্তু, বর্তমান গবেষণার ফলে ব্যাক্টেরিয়ার একটি নির্দিষ্ট এনজাইমকে এর জন্য দায়ী করা হয়।

আমাদের দেহ প্রচুর ব্যাকটিরিয়ায় আচ্ছাদিত, তবে এর মধ্যে কয়েকটি মাত্র শরীরে দুর্গন্ধের জন্য দায়ী। ইউনিলিভার বিজ্ঞানীদের সহযোগিতায় এখন ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির গবেষকরা – একটি “বিও (BO) এনজাইম” আবিষ্কার করেছেন যা কেবলমাত্র গন্ধযুক্ত বগলের সাথে সংযুক্ত ব্যাকটিরিয়ার মধ্যে পাওয়া যায়।

আমরা প্রায়শই ব্যাকটেরিয়াকে অসুস্থতার কারণ হিসেবে দেখি তবে এই বিও- উৎপাদনকারী ব্যাকটিরিয়াগুলি আপনার ত্বকের প্রাকৃতিক মাইক্রোবায়মেরই অংশ। যদিও মানবদেহে এই বিও এনজাইম সরাসরি প্রস্তুত হয় না। যখন বগলে ঘাম হয় ঘাম হয় তখন ব্যাকটেরিয়াগুলি থায়ো-অ্যালকোহল নামক বিও এনজাইম তৈরী করে যা দুর্গন্ধের জন্য দায়ী।

দুর্গন্ধের কারণ যখন জানা গিয়েছে তখন হয়ত খুব শীঘ্রই এর সমাধানও আমরা পেয়ে যেতে পারি।এ গবেষণার ফলে অধিক কার্যকর ডিওডোরেন্ট এবং অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট তৈরির পথ সুগম করবে নিঃসন্দেহে।