ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে আটক ১১০৬ কবিরহাটে সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ নতুন কূপে খনন শেষে মিলেছে গ্যাস, জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন যুক্ত হবে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সংবাদ সম্মেলন হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু, চাটখিলে হাসপাতালে ভাঙচুর ডিবি পুলিশের অভিযানে হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বারবিকিউ পার্টিতে মদপানে তরুণের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ ৪ মাদকসেবী অপবাদে রিকশাচালককে হত্যা, পিবিআইয়ের জালে দুই কিশোর প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে কবিরহাটে বিএনপির জরুরী সংবাদ সম্মেলন

ভারত থেকে চিকিৎসা সহায়তার তৃতীয় চালান দেশে এলো

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০ ৯০৪ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এনকে বার্তা ডেস্ক:

বিশ্বজুড়ে বিস্তার লাভ করেছে করোনা মহামারি। ইতিমধ্যে এতে আক্রান্ত হয়েছেন বিভিন্ন দেশের ৩৭ লাখের বেশি মানুষ। মারা গেছে আরও ২ লাখ ৫৮ হাজার। এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় হচ্ছে করোনার ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক আবিষ্কার করা। এ নিয়ে কাজ করছে গোটা বিশ্বের শতাধিক গবেষক দল।

পরীক্ষামূলক ১০৮টি ভ্যাকসিনের মধ্যে ইতোমধ্যেই আটটি মানবদেহে প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

গত মাসের শেষ নাগাদ পর্যন্ত প্রতিষেধক তৈরির জন্য কাজ করা গবেষক দলের সংখ্যা ছিল ১০৪টি। এবার এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে জাপানের ইউনিভার্সিটি অব টোকিও, তুলানে ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা এবং দি ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ।

গত ১৬ মার্চ প্রথমবারের মতো মানবদেহে পরীক্ষামূলকভাবে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা। এরপর বিশ্বের আরও সাতটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান তাদের তৈরি সম্ভাব্য করোনা ভ্যাকসিন মানুষের শরীরে প্রয়োগ করেছে। তবে করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলেও এটি বাজারে আসতে কমপক্ষে ১৮ মাস সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি করেছে ইতালি। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে রোমের স্প্যালানজানি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, তারা করোনার প্রতিষেধক তৈরিতে সক্ষম হয়েছেন। তারা এটি ইঁদুরের শরীরে প্রয়োগ করে সাফল্য পেয়েছেন।

তারা বলছেন, এই প্রতিষেধক মানুষের শরীরে প্রয়োগ করলে তাদের আর করোনা সংক্রমিত হওয়ার ভয় থাকবে না।

সায়েন্স টাইমস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই দাবি করেছেন ইতালির বিশেষজ্ঞ দলটি।

ইতালির ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি টাকিসের প্রধান নির্বাহী লুইগি আরিসিচিও জানান, তাদের তৈরি প্রতিষেধকই বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত পর্যায়ের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

ভারত থেকে চিকিৎসা সহায়তার তৃতীয় চালান দেশে এলো

আপডেট সময় : ০৯:১৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

এনকে বার্তা ডেস্ক:

বিশ্বজুড়ে বিস্তার লাভ করেছে করোনা মহামারি। ইতিমধ্যে এতে আক্রান্ত হয়েছেন বিভিন্ন দেশের ৩৭ লাখের বেশি মানুষ। মারা গেছে আরও ২ লাখ ৫৮ হাজার। এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের একমাত্র উপায় হচ্ছে করোনার ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক আবিষ্কার করা। এ নিয়ে কাজ করছে গোটা বিশ্বের শতাধিক গবেষক দল।

পরীক্ষামূলক ১০৮টি ভ্যাকসিনের মধ্যে ইতোমধ্যেই আটটি মানবদেহে প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

গত মাসের শেষ নাগাদ পর্যন্ত প্রতিষেধক তৈরির জন্য কাজ করা গবেষক দলের সংখ্যা ছিল ১০৪টি। এবার এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে জাপানের ইউনিভার্সিটি অব টোকিও, তুলানে ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা এবং দি ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ।

গত ১৬ মার্চ প্রথমবারের মতো মানবদেহে পরীক্ষামূলকভাবে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা। এরপর বিশ্বের আরও সাতটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান তাদের তৈরি সম্ভাব্য করোনা ভ্যাকসিন মানুষের শরীরে প্রয়োগ করেছে। তবে করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলেও এটি বাজারে আসতে কমপক্ষে ১৮ মাস সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি করেছে ইতালি। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে রোমের স্প্যালানজানি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন, তারা করোনার প্রতিষেধক তৈরিতে সক্ষম হয়েছেন। তারা এটি ইঁদুরের শরীরে প্রয়োগ করে সাফল্য পেয়েছেন।

তারা বলছেন, এই প্রতিষেধক মানুষের শরীরে প্রয়োগ করলে তাদের আর করোনা সংক্রমিত হওয়ার ভয় থাকবে না।

সায়েন্স টাইমস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই দাবি করেছেন ইতালির বিশেষজ্ঞ দলটি।

ইতালির ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি টাকিসের প্রধান নির্বাহী লুইগি আরিসিচিও জানান, তাদের তৈরি প্রতিষেধকই বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত পর্যায়ের।