ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে শতাধিক পরিবার পেল উতাস’র ঈদ উপহার ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল তরুণীর সাথে ভিডিও ভাইরাল, হাতিয়ার সেই ইউএনও ওএসডি চাটখিলে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিএনপি নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ হাতিয়ায় গৃহবধূকে হত্যা: র‌্যাবের হাতে স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার কাভার্ডভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক হাতিয়ার ইউএনওর সঙ্গে নারী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, জেলা জুড়ে তোলপাড় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নিয়োগ’সহ দুর্নীতির অভিযোগ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

রাশিয়ার আত্মসমর্পণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো ইউক্রেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২ ৩১৪০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মারিওপোলে পরাজয় স্বীকার করে সেনা ও শহর কর্তৃপক্ষকে আত্মসমর্পণ করতে রাশিয়া যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটি প্রত্যাখ্যান করেছে ইউক্রেন।
স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৫টার মধ্যে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা) আত্মসমর্পণ করার প্রস্তাব দিয়েছিল রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ইউক্রেন বলেছেন, আত্মসমর্পণের প্রশ্নই আসেন না। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম রিয়া নভোস্তি জানিয়েছে, রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মারিওপোল শহরে সকাল ১০টার মধ্যে মানবিক করিডর খুলে দিতে চায়। এ জন্য তারা কিয়েভের কাছ থেকে ভোর ৫টার মধ্যে লিখিত সম্মতি পেতে চায়। অর্থাৎ প্রস্তাবের লিখিত প্রতিক্রিয়া পেলে বাসিন্দাদের চলে যাওয়ার অনুমতি দিতে মানবিক করিডর খুলবে রাশিয়া।
রাশিয়ার ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিফেন্স ম্যানেজমেন্টের প্রধান কর্নেল-জেনারেল মিখাইল মিজিনসেভের উদ্ধৃতি দিয়ে রিয়া নভোস্তি জানিয়েছেন, স্থানীয় কর্মকর্তারা আত্মসমর্পণের শর্তে রাজি না হলে তাদের ‘সামরিক ট্রাইব্যুনালের’ মুখোমুখি হতে হবে।
তবে রাশিয়ার এ প্রস্তাবের পর সোমবার গভীর রাতে ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক বলেছেন, আত্মসমর্পণের ‘কোনো প্রশ্ন’ থাকতে পারে না। গণমাধ্যম ইউক্রেনস্কা প্রাভদা তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘আমরা ইতোমধ্যে রাশিয়াকে এ বিষয়ে জানিয়ে দিয়েছি।’
এর আগে গত শনিবার মারিওপোলের সিটি কাউন্সিল অভিযোগ করেছিল, রাশিয়া অবৈধভাবে শহরের ‘কয়েক হাজার’ বাসিন্দাকে জোর করে নিজ দেশে নিয়ে গেছে।
প্রসঙ্গত প্রায় পাঁচ লাখ নাগরিকের মারিওপোল শহরটি দখল করা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটি আজভ সাগরে ইউক্রেনের কৌশলগত বন্দর এবং ডনবাস অঞ্চলে রুশ-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর কাছেই অবস্থিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাশিয়ার আত্মসমর্পণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো ইউক্রেন

আপডেট সময় : ১২:২১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২

মারিওপোলে পরাজয় স্বীকার করে সেনা ও শহর কর্তৃপক্ষকে আত্মসমর্পণ করতে রাশিয়া যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটি প্রত্যাখ্যান করেছে ইউক্রেন।
স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৫টার মধ্যে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা) আত্মসমর্পণ করার প্রস্তাব দিয়েছিল রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ইউক্রেন বলেছেন, আত্মসমর্পণের প্রশ্নই আসেন না। সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম রিয়া নভোস্তি জানিয়েছে, রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মারিওপোল শহরে সকাল ১০টার মধ্যে মানবিক করিডর খুলে দিতে চায়। এ জন্য তারা কিয়েভের কাছ থেকে ভোর ৫টার মধ্যে লিখিত সম্মতি পেতে চায়। অর্থাৎ প্রস্তাবের লিখিত প্রতিক্রিয়া পেলে বাসিন্দাদের চলে যাওয়ার অনুমতি দিতে মানবিক করিডর খুলবে রাশিয়া।
রাশিয়ার ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিফেন্স ম্যানেজমেন্টের প্রধান কর্নেল-জেনারেল মিখাইল মিজিনসেভের উদ্ধৃতি দিয়ে রিয়া নভোস্তি জানিয়েছেন, স্থানীয় কর্মকর্তারা আত্মসমর্পণের শর্তে রাজি না হলে তাদের ‘সামরিক ট্রাইব্যুনালের’ মুখোমুখি হতে হবে।
তবে রাশিয়ার এ প্রস্তাবের পর সোমবার গভীর রাতে ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক বলেছেন, আত্মসমর্পণের ‘কোনো প্রশ্ন’ থাকতে পারে না। গণমাধ্যম ইউক্রেনস্কা প্রাভদা তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে, ‘আমরা ইতোমধ্যে রাশিয়াকে এ বিষয়ে জানিয়ে দিয়েছি।’
এর আগে গত শনিবার মারিওপোলের সিটি কাউন্সিল অভিযোগ করেছিল, রাশিয়া অবৈধভাবে শহরের ‘কয়েক হাজার’ বাসিন্দাকে জোর করে নিজ দেশে নিয়ে গেছে।
প্রসঙ্গত প্রায় পাঁচ লাখ নাগরিকের মারিওপোল শহরটি দখল করা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ এই শহরটি আজভ সাগরে ইউক্রেনের কৌশলগত বন্দর এবং ডনবাস অঞ্চলে রুশ-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর কাছেই অবস্থিত।