ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
পরমাণু শক্তি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্বে পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে বাংলাদেশ মাদরাসা ছাত্রীর আত্মহত্যা লুকাতে বজ্রপাতের গুজব ছড়ালো পরিবার বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১, আহত ৮ ভ্রাম্যমান আদালতে দুই ভাটাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা মাইক বাজিয়ে আ.লীগ ও শেখ হাসিনার নামে স্লোগান, পুলিশ দেখে পালালো যুবক নদীর ঘাটে লুকানো ২৭’শ লিটার ডিজেল জব্দ, গ্রেফতার-১ মানবাধিকার নিশ্চিতে ইসলামই একমাত্র সমাধান: এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম চাঁদপুরে হেযবুত তওহীদের ঈদ পুনর্মিলনী ও বনভোজন অনুষ্ঠিত সৌদি ফেরত নোয়াখালীর ছাত্রলীগ নেতা বিমানবন্দরে আটক নোয়াখালী রিয়েল এস্টেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আপেল, সম্পাদক নাসির

বন্যপ্রাণী নিধন হলে আরও প্রাদুর্ভাব আসবে: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০ ৯৩০ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক :

প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বাড়ছে। তাই বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষিত রাখার পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তা চলতে থাকবে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। কভিড-১৯-এর মতো রোগের উদ্ভবের জন্য তারা প্রাণিজ প্রোটিনের উচ্চ চাহিদা, কৃষির অপরিবর্তনীয় ধরন ও জলবায়ুর পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন। খবর: বিবিসি।

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবহেলিত জুনোটিক রোগে এক বছরে ২০ লাখ মারা যায়। ইবোলা, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ও সার্স জুনোটিক রোগ। এ রোগগুলো প্রাণীর মধ্যে শুরু হয়ে পরে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু মানুষের মাঝে এসব সংক্রমণ প্রাকৃতিকভাবে ছড়ায়নি, এগুলোকে ডেকে নিয়ে আসা হয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করার মাধ্যমে এটি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

বন্যপ্রাণী নিধন হলে আরও প্রাদুর্ভাব আসবে: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

আপডেট সময় : ০৯:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০

ডেস্ক :

প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বাড়ছে। তাই বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষিত রাখার পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তা চলতে থাকবে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। কভিড-১৯-এর মতো রোগের উদ্ভবের জন্য তারা প্রাণিজ প্রোটিনের উচ্চ চাহিদা, কৃষির অপরিবর্তনীয় ধরন ও জলবায়ুর পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন। খবর: বিবিসি।

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবহেলিত জুনোটিক রোগে এক বছরে ২০ লাখ মারা যায়। ইবোলা, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ও সার্স জুনোটিক রোগ। এ রোগগুলো প্রাণীর মধ্যে শুরু হয়ে পরে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু মানুষের মাঝে এসব সংক্রমণ প্রাকৃতিকভাবে ছড়ায়নি, এগুলোকে ডেকে নিয়ে আসা হয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করার মাধ্যমে এটি করা হয়েছে।