ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
দুরারোগ্য রোগের যন্ত্রণায় এসিড পান করে যুবকের মৃত্যু নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১০ দিনে আটক ১১০৬ কবিরহাটে সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ নতুন কূপে খনন শেষে মিলেছে গ্যাস, জাতীয় গ্রীডে প্রতিদিন যুক্ত হবে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সংবাদ সম্মেলন হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু, চাটখিলে হাসপাতালে ভাঙচুর ডিবি পুলিশের অভিযানে হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বারবিকিউ পার্টিতে মদপানে তরুণের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ ৪ মাদকসেবী অপবাদে রিকশাচালককে হত্যা, পিবিআইয়ের জালে দুই কিশোর প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে কবিরহাটে বিএনপির জরুরী সংবাদ সম্মেলন

বন্যপ্রাণী নিধন হলে আরও প্রাদুর্ভাব আসবে: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০ ৯৮৯ বার পড়া হয়েছে
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক :

প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বাড়ছে। তাই বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষিত রাখার পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তা চলতে থাকবে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। কভিড-১৯-এর মতো রোগের উদ্ভবের জন্য তারা প্রাণিজ প্রোটিনের উচ্চ চাহিদা, কৃষির অপরিবর্তনীয় ধরন ও জলবায়ুর পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন। খবর: বিবিসি।

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবহেলিত জুনোটিক রোগে এক বছরে ২০ লাখ মারা যায়। ইবোলা, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ও সার্স জুনোটিক রোগ। এ রোগগুলো প্রাণীর মধ্যে শুরু হয়ে পরে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু মানুষের মাঝে এসব সংক্রমণ প্রাকৃতিকভাবে ছড়ায়নি, এগুলোকে ডেকে নিয়ে আসা হয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করার মাধ্যমে এটি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
নিউজ ডেস্ক
ট্যাগস :

বন্যপ্রাণী নিধন হলে আরও প্রাদুর্ভাব আসবে: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

আপডেট সময় : ০৯:৩২:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২০

ডেস্ক :

প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা বাড়ছে। তাই বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষিত রাখার পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তা চলতে থাকবে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। কভিড-১৯-এর মতো রোগের উদ্ভবের জন্য তারা প্রাণিজ প্রোটিনের উচ্চ চাহিদা, কৃষির অপরিবর্তনীয় ধরন ও জলবায়ুর পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন। খবর: বিবিসি।

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবহেলিত জুনোটিক রোগে এক বছরে ২০ লাখ মারা যায়। ইবোলা, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ও সার্স জুনোটিক রোগ। এ রোগগুলো প্রাণীর মধ্যে শুরু হয়ে পরে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু মানুষের মাঝে এসব সংক্রমণ প্রাকৃতিকভাবে ছড়ায়নি, এগুলোকে ডেকে নিয়ে আসা হয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করার মাধ্যমে এটি করা হয়েছে।